📌 মিশরীয় রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ সিসি গাজায় ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গাজায় ‘কাজ শেষ করার’ হুমকি দিলে তিনি এই অবস্থান নেন। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসের সফরকালে সিসি বলেন, মিশর ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তন বা তাদের অধিকার ধ্বংসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে
মিশরীয় রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ সিসি গাজায় ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের গাজায় ‘কাজ শেষ করার’ হুমকি দিলে তিনি এই অবস্থান নেন। মিশরের এই অবস্থান নেওয়া হয় ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসের সফরকালে। সিসি বলেন, “মিশর ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তন বা তাদের অধিকার ধ্বংসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে”। ফিলিস্তিনি নেতা আব্বাস মিশরের এই দৃঢ়তা প্রশংসা করেন এবং বলেন, “গাজা আমাদের রাষ্ট্রের অপরিহার্য অংশ”।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিশরীয় রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ সিসি গাজায় ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেন এবং বলেন, “ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তন বা তাদের অধিকার ধ্বংসের বিরুদ্ধে মিশর দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে”।
- 📌 ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ গাজায় ‘কাজ শেষ করার’ কথা বলেন এবং বলেন, “আমরা গাজায় ‘মাইগ্রেশন প্ল্যান’ বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত আছি”।
- 📌 কাটজ জানান, ইসরায়েল গাজার দুই মিলিয়ন ফিলিস্তিনিকে সমুদ্র ও স্থলপথে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন অপেক্ষায় রয়েছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি নিশ্চিত করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো ফিলিস্তিনিদের বাধাপ্রাপ্তভাবে গাজা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।
- 📌 গাজার অধিকাংশ জনসংখ্যা অভ্যন্তরীণভাবে বসতি পরিবর্তিত হয়েছে এবং তিন বছরের যুদ্ধে অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত। এই যুদ্ধে ৭৩,৭০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েল গাজা থেকে প্রত্যাহার করবে না, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত শান্তি পরিকল্পনাও সে শর্তে কার্যকর হয়েছে।
- 📌 নেটানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েল গাজার ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং হিজবুল্লাহকে অস্ত্রহীন করার আগ পর্যন্ত প্রত্যাহার করবে না।
- 📌 ইসরায়েলের সরকার পশ্চিম তীরে আরও ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যার মধ্যে জেরুজালেম ও মালে আদুমিম বসতির মধ্যবর্তী এলাকায় ‘ই১ প্রকল্প’ উল্লেখযোগ্য।
- 📌 ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বি’ত্সেলেম এই সপ্তাহে সতর্কতা জানায় যে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি সমাজের ‘সিস্টেমেটিক ধ্বংস’ এবং ইসরায়েলি-ইহুদি সার্বভৌমত্ব স্থাপনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মিশরীয় রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ সিসি গাজায় ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেন। তিনি বলেন, “মিশর ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তন বা তাদের অধিকার ধ্বংসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে”। এই অবস্থান নেওয়া হয় ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাসের সফরকালে। আব্বাস মিশরের এই দৃঢ়তা প্রশংসা করেন এবং বলেন, “গাজা আমাদের রাষ্ট্রের অপরিহার্য অংশ”।
এই অবস্থান নেওয়া হয় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের গাজায় ‘কাজ শেষ করার’ হুমকির পর। কাটজ বলেন, “আমরা গাজায় ‘মাইগ্রেশন প্ল্যান’ বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত আছি”। তিনি জানান, ইসরায়েল গাজার দুই মিলিয়ন ফিলিস্তিনিকে সমুদ্র ও স্থলপথে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন অপেক্ষায় রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি নিশ্চিত করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো ফিলিস্তিনিদের বাধাপ্রাপ্তভাবে গাজা থেকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি বলেছিলেন যে, তিনি ইসরায়েলের মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এলাকা অধিগ্রহণের ব্যাপারে বাইবেলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সন্তুষ্ট থাকবেন। পরে তিনি বলেন যে, তার এই কথা নির্বাচিতভাবে সম্পাদিত হয়েছিল।
গাজার অধিকাংশ জনসংখ্যা অভ্যন্তরীণভাবে বসতি পরিবর্তিত হয়েছে এবং তিন বছরের যুদ্ধে অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত। এই যুদ্ধে ৭৩,৭০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেটানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েল গাজা থেকে প্রত্যাহার করবে না, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত শান্তি পরিকল্পনাও সে শর্তে কার্যকর হয়েছে। নেটানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েল গাজার ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং হিজবুল্লাহকে অস্ত্রহীন করার আগ পর্যন্ত প্রত্যাহার করবে না।
ইসরায়েলের সরকার পশ্চিম তীরে আরও ইসরায়েলি বসতি নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষত, জেরুজালেম ও মালে আদুমিম বসতির মধ্যবর্তী এলাকায় ‘ই১ প্রকল্প’ উল্লেখযোগ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার বাসস্থান নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বি’ত্সেলেম এই সপ্তাহে সতর্কতা জানায় যে, ইসরায়েল পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি সমাজের ‘সিস্টেমেটিক ধ্বংস’ এবং ইসরায়েলি-ইহুদি সার্বভৌমত্ব স্থাপনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
"মিশর ফিলিস্তিনিদের বসতি পরিবর্তন বা তাদের অধিকার ধ্বংসের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজা, পশ্চিম তীর, মিশর, ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদেল ফাত্তাহ সিসি, মাহমুদ আব্বাস, ইসরায়েল কাটজ, মাইক হাকাবি, বেনজামিন নেটানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩,৭০০ (ফিলিস্তিনি নিহত), ৬০% (গাজার নিয়ন্ত্রিত এলাকা), ২০ লক্ষ (গাজার জনসংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!