📌 কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান ইবোলা মহামারির উৎপত্তি নতুন প্রাণী থেকে মানব দেহে সংক্রমণের মাধ্যমে হয়েছে বলে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। এ মহামারিতে এখন পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে
কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান ইবোলা মহামারির উৎপত্তি নতুন প্রাণী থেকে মানব দেহে সংক্রমণের মাধ্যমে হয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী Nature Medicine-এ প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহামারিটি পূর্ববর্তী প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান ইবোলা মহামারি নতুন প্রাণী থেকে মানব দেহে সংক্রমণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে
- 📌 মহামারিতে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষের, নিশ্চিত রোগী ৪ হাজার ৪৪৯ জন
- 📌 মহামারিটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এবং ইতোমধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতির ইবোলা প্রাদুর্ভাব হিসেবে চিহ্নিত
- 📌 বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহামারির শুরু হয়েছিল নতুন ‘জুনোটিক স্পিলওভার’ ঘটনার মাধ্যমে
📰 বিস্তারিত
গবেষকদের মতে, মহামারির বর্তমান প্রাদুর্ভাব পূর্ববর্তী ইবোলা ভাইরাসের সঙ্গে জেনেটিকভাবে ভিন্ন। কঙ্গো ও উগান্ডার ২২ জন রোগীর নমুনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ভাইরাসটি পূর্ববর্তী প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। কঙ্গো ও উগান্ডার মহামারির মধ্যে সংযোগ রয়েছে বলে গবেষকরা উল্লেখ করেছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-এর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বলেন, বর্তমান মহামারির গতি-প্রকৃতি বিবেচনায় এটি ২০১৪-২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার মহামারিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। সেসময় ইবোলায় অন্তত ১১ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
ডব্লিউএইচও-এর স্বাস্থ্য জরুরি সতর্কতা ও প্রতিক্রিয়া বিভাগের পরিচালক ড. আব্দিরাহমান মাহামুদ জানান, মহামারির প্রকোপ ছয় মাসের মধ্যে শীর্ষে পৌঁছাতে পারে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এটি নয় থেকে বারো মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
"জিনোমিক তথ্য থেকে যা বোঝা যায় তা হলো, বর্তমান মহামারিটি শুরু হয়েছিল নতুন ‘জুনোটিক স্পিলওভার’ ঘটনার মাধ্যমে — যার অর্থ ভাইরাসটি সম্ভবত স্বাধীনভাবে প্রাণী সংরক্ষণাগার থেকে মানুষের মধ্যে প্রবেশ করেছে, পূর্ববর্তী মানব মহামারি থেকে ভাইরাসের অব্যাহত প্রচলন বা পুনরুত্থানের ফলে নয়।"
"এই প্রাথমিক স্পিলওভারের পর মহামারিটি প্রধানত মানব থেকে মানব সংক্রমণের মাধ্যমে ছড়িয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস, ড. আব্দিরাহমান মাহামুদ, ক্রুটিকা কুপল্লি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ২ হাজার, নিশ্চিত রোগী ৪ হাজার ৪৪৯
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!