📌 ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) একটি সেনাবাহিনীর বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে দু’জন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা এবং একটি শিশু। বিমানটি কিকউইট থেকে কিনশাসা যাত্রায় যান্ত্রিক ত্রুটি কারণে বিধ্বস্ত হয়
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) একটি সেনাবাহিনীর বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দু’জন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা এবং একটি শিশু রয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। বিমানটি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইট থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। পথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গে এলাকায় জরুরি অবতরণের চেষ্টা করা হলেও রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিআর কঙ্গোতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ১৭ জন, এর মধ্যে দু’জন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এবং একটি শিশু
- 📌 বিমানটি কিকউইট থেকে কিনশাসা যাত্রায় যান্ত্রিক ত্রুটি কারণে বিধ্বস্ত হয়
- 📌 প্রথমে ১৩ জনের মৃত্যু বলে জানানো হলেও পরে ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়
- 📌 নিহতদের মধ্যে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ মুটোম্বো এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল লুসিয়েন-রেনে লিকুলিয়া
- 📌 দুর্ঘটনার কারণ তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি
📰 বিস্তারিত
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপ-গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা জানান, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পর আগুন ধরে যায়। প্রথমে ১৩ জনের মৃত্যু বলে জানানো হলেও পরে ধ্বংসাবশেষ থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। কঙ্গোর সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দু’জন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা ছিলেন — লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ মুটোম্বো এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল লুসিয়েন-রেনে লিকুলিয়া। তারা সরকারি দায়িত্বে বিমানে ভ্রমণ করছিলেন।
ঘটনার পর কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি দুর্ঘটনার কারণ তদন্তের নির্দেশ দেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। এদিকে, ডিআর কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে দেশটির পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াই চলছে। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলে আসছে।
"মাটিতে আছড়ে পড়ার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। প্রথমে ১৩ জন নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও পরে ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।"
— উপ-গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কোয়াঙ্গো প্রদেশ, কেঙ্গে এলাকা, ডিআর কঙ্গো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ মুটোম্বো, লেফটেন্যান্ট জেনারেল লুসিয়েন-রেনে লিকুলিয়া, উপ-গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা, প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ জন নিহত, ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ১ জন শিশু, ২৫ সেপ্টেম্বর (বিমান যাত্রা), ২৬ সেপ্টেম্বর (ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!