📌 ভারতে দিল্লিতে বিয়ের এক মাস আগে সাবেক নারী সহকর্মীর হাতে খুন হয় যুবরাজ সিং মানচান্দা (৩১)। আর্থিক বিরোধের জেরে ঘটনায় গ্রেপ্তার হয় দুজন। পরিবার পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে
ভারতে দিল্লিতে বিয়ের মাত্র এক মাস আগে সাবেক নারী সহকর্মীর হাতে খুন হয়েছেন যুবরাজ সিং মানচান্দা (৩১)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আর্থিক বিরোধের জেরে ঘটনায় গ্রেপ্তার হয় দুজন। নিহত যুবক ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, যিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা ও হৃদরোগে আক্রান্ত মাকে নিয়ে গড়া পরিবারকে সমর্থন করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ বছর বয়সী যুবরাজ সিং মানচান্দা দিল্লিতে বিয়ের এক মাস আগে সাবেক সহকর্মীর হাতে খুন হন
- 📌 ৬ সেপ্টেম্বর লাজপত নগর মার্কেটে বিয়ের শেরওয়ানি কিনে নেওয়ার পর যুবক নিখোঁজ হন
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর পুলিশ লাশ উদ্ধার করলেও পরিবারকে মৃত্যুর খবর ১৬ সেপ্টেম্বর দেওয়া হয়
- 📌 দুজন গ্রেপ্তার — সাবেক সহকর্মী ভাটস ও তার সঙ্গী — যুবকের সর্বশেষ কথা বলার পর খুনের ঘটনা স্বীকার করেন
- 📌 পুলিশের গাফিলতি অভিযোগে পরিবার দাবি করে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণের জন্য চাপ দিচ্ছে
📰 বিস্তারিত
দিল্লির গুরুগ্রামে ঘটে এই হত্যাকাণ্ড। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, যুবরাজের বিয়ের শেরওয়ানি কিনে নেওয়ার পর তিনি বোনদের সঙ্গে একটি রেস্তোরাঁতে খেতে বসেন। সেখান থেকে জরুরি কাজের কথা বলে গুরুগ্রামে সাবেক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে যান। এরপর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১১ সেপ্টেম্বর পরিবার পুলিশের কাছে নিখোঁজ ডায়েরি করে।
সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, নিহত যুবকের সর্বশেষ কথা ছিল সাবেক সহকর্মী ভাটসের সঙ্গে। পরে নতুন একটি মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে উত্তরাখণ্ড থেকে ভাটস ও তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর তারা স্বীকার করে যে, লাশটি গুরুগ্রামে তাদের বাড়ির কাছের একটি নালায় ফেলে দিয়েছিল তারা। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা হলো, আর্থিক লেনদেন নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে পরিবারের দাবি, খুনের আসল কারণ আড়াল করা হচ্ছে।
পরিবার পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, ১০ সেপ্টেম্বর পুলিশ লাশ উদ্ধার করলেও নিখোঁজদের পোর্টালে (জিপনেট) সময়মতো তথ্য আপলোড করেনি। এমনকি শনাক্তের জন্য অপেক্ষা না করে ১৪ সেপ্টেম্বর লাশ দাহ করে ফেলে পুলিশ। অথচ পরিবারকে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয় ১৬ সেপ্টেম্বর। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ডিএনএ নমুনা ও যুবরাজের ব্যবহৃত জিনিসপত্র সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে।
"আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন যুবরাজ। পুলিশের গাফিলতি ও অদক্ষতার কারণে আমরা এখনো তার মৃত্যু সম্পর্কে সত্য জানতে পারছি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, গুরুগ্রাম, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুবরাজ সিং মানচান্দা (৩১), ভাটস (সাবেক সহকর্মী), পুলিশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ বছর বয়স, ৬ সেপ্টেম্বর, ১১ সেপ্টেম্বর, ১০ সেপ্টেম্বর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৬ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!