📌 দিল্লির রেসকোর্স এলাকায় অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন মসজিদের চারপাশে বসবাসকারী ৭১৭টি পরিবারকে সরকারি উচ্ছেদ অভিযানে ৩১ মাইল দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মসজিদের পানি ও বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। ওয়াক্ফ বোর্ড ও মুসল্লিরা আদালতে মসজিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
দিল্লির রেসকোর্স এলাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদের চারপাশে বসবাসকারী শতাব্দীপ্রাচীন বসতির ৭১৭টি পরিবারকে সরকারি উচ্ছেদ অভিযানে ৩১ মাইল দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই এলাকাটি ভারতের রাজধানীর অন্যতম নিরাপত্তাবেষ্টিত অঞ্চল, যেখানে সেনাবাহিনীর স্থাপনা ও অভিজাত বাড়িগুলোর মাঝে ছোট ছোট বাসভবন গড়ে উঠেছিল। বসতির অধিবাসী মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫০) বলেছেন, ‘এখানে আমার বাবার বিয়ে হয়েছিল, আমার মেয়ের বিয়েও এখানে হয়েছিল।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দিল্লির রেসকোর্স এলাকায় অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন মসজিদের চারপাশে বসবাসকারী ৭১৭টি পরিবারকে সরকারি উচ্ছেদ অভিযানে ৩১ মাইল দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- 📌 উচ্ছেদের পর মসজিদের পানি ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে।
- 📌 ওয়াক্ফ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মসজিদটির বয়স প্রায় ৩০০ বছর, তবে অনেকে মনে করেন এর বয়স ১২৫ থেকে ১৫০ বছরের মধ্যে।
- 📌 সরকারের যুক্তি অনুযায়ী, মসজিদটি সরকারি জমিতে নির্মিত, কিন্তু মসজিদ কর্তৃপক্ষ দাবি করে ১৯৭৭ সালে এটি ওয়াক্ফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।
- 📌 হাইকোর্টের শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর।
📰 বিস্তারিত
দিল্লির রেসকোর্স এলাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদের চারপাশে বসবাসকারী শতাব্দীপ্রাচীন বসতির ৭১৭টি পরিবারকে সরকারি উচ্ছেদ অভিযানে ৩১ মাইল দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই এলাকাটি ভারতের রাজধানীর অন্যতম নিরাপত্তাবেষ্টিত অঞ্চল, যেখানে সেনাবাহিনীর স্থাপনা ও অভিজাত বাড়িগুলোর মাঝে ছোট ছোট বাসভবন গড়ে উঠেছিল। বসতির অধিবাসী মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫০) বলেছেন, ‘এখানে আমার বাবার বিয়ে হয়েছিল, আমার মেয়ের বিয়েও এখানে হয়েছিল।’
গত ৭ অক্টোবর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে বাড়ি, দোকান ও স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের দাবি, সরকারি জমিতে অবৈধ বসতি গড়ে তোলা হয়েছিল। উচ্ছেদের পর বাসিন্দাদের ঠিকানা দেওয়া হয়েছে ‘সাভদা ঘেবরা’ নামের একটি আবাসিক এলাকায়, যা আগের বসতির থেকে প্রায় ৩১ মাইল দূরে অবস্থিত।
মসজিদের চারপাশে বসবাসকারী মুসলিমরা কয়েক প্রজন্ম ধরে এই এলাকায় বসবাস করতেন। তারা আশপাশের অভিজাত বাড়িগুলোয় গাড়িচালক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী বা মালির কাজ করতেন। উচ্ছেদের পর মসজিদের পানি ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মুসল্লিরা নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অনুরোধ করে ভেতরে ঢুকছেন।
ওয়াক্ফ বোর্ডের চিঠিতে মসজিদটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মসজিদটিতে নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ভেঙে ফেলার আশঙ্কা জানিয়ে একজন মুসল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সরকারের যুক্তি অনুযায়ী, মসজিদটি সরকারি জমিতে নির্মিত, কিন্তু মসজিদ কর্তৃপক্ষ দাবি করে ১৯৭৭ সালে এটি ওয়াক্ফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।
"এখানে আমার বাবার বিয়ে হয়েছিল, আমার মেয়ের বিয়েও এখানে হয়েছিল।"
গত ২৯ অক্টোবর সরকার আদালতকে জানায়, ওয়াক্ফ বোর্ডের আপত্তিগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সেখানে নামাজ আদায়ের সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছে সরকার। মুসল্লিদের আইনজীবী সরকারের এ যুক্তির বিরোধিতা করেছেন। হাইকোর্টের শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লির রেসকোর্স এলাকা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫০), ওয়াক্ফ বোর্ড কর্তৃপক্ষ, মুসল্লিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১৭টি পরিবার, ৩১ মাইল, ৩০০ বছর (মসজিদের বয়স), ১২৫-১৫০ বছর (অন্যান্য মতে), ৭ অক্টোবর, ২৯ অক্টোবর, ১৬ ডিসেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!