📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে ৭০০ পরিবারের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু

দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে ৭০০ পরিবারের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের দিল্লি হাইকোর্ট প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত একটি বস্তির প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত সাভদা ঘেভরায় স্থানান্তরের জন্য ছয় সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি অবস্থিত একটি বস্তির প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট। গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত বস্তির প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের
  • 📌 পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত সাভদা ঘেভরায় স্থানান্তরের জন্য ছয় সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে
  • 📌 আদালত পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তদারকির জন্য সাবেক জেলা বিচারক মনমোহন শর্মার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন
  • 📌 প্রতিটি পরিবারকে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে মেট্রো কার্ড এবং এক বছরের জন্য বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সরকারের
  • 📌 বস্তিবাসীরা দাবি করেছেন, নতুন স্থানে জীবিকা ও মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে

📰 বিস্তারিত

ভারতের দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি অবস্থিত একটি বস্তির প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে বাসিন্দাদের বর্তমান স্থান খালি করে সাভদা ঘেভরা নামক পুনর্বাসন কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য ছয় সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

পুনর্বাসন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আদালত সাবেক জেলা বিচারক মনমোহন শর্মার নেতৃত্বে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটি আগামী ৬ মাস পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারি চালাবে এবং সরকার বস্তিবাসীদের যেসব সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া বস্তিবাসীদের মালপত্র সাভদা ঘেভরায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডকে (ডিইউএসআইবি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান বস্তি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সাভদা ঘেভরায় স্থানান্তরের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বাসিন্দারা। তাদের দাবি, এতে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে, কারণ তাদের অধিকাংশই বর্তমান বাসস্থানের আশেপাশে ছোটখাটো কাজ করেন। এছাড়া নতুন স্থানে স্কুলসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান বস্তিটি সামরিক স্থাপনা সংলগ্ন হওয়ায় জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই উচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি।

"বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে স্পর্শকাতর এলাকায় এ ধরনের অননুমোদিত স্থাপনা জননিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।"

মূলত গত বছরের অক্টোবরেই এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করেছিল সরকার। তবে বস্তিবাসীদের ক্ষতিপূরণ ও যাতায়াত সুবিধার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে এক বছরের জন্য একটি বিনামূল্যে মেট্রো কার্ড দেওয়া হবে, যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি এক বছরের জন্য পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা দেওয়া হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায়, বিচারপতি তেজস কারিয়ার, মনমোহন শর্মা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ পরিবার, ৬ মাস, ৪৫ কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖