📌 ভারতের দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত একটি বস্তির প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। পুনর্বাসনের জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে এবং নতুন স্থানে মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে অবস্থিত একটি বস্তির প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বাসিন্দাদের ছয় মাসের মধ্যে বর্তমান স্থান খালি করে সাভদা ঘেভরা নামক পুনর্বাসন কেন্দ্রে স্থানান্তরিত হতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট
- 📌 পুনর্বাসনের জন্য ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছে
- 📌 নতুন স্থানে স্কুলসহ মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ
- 📌 পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তদারকির জন্য ৭ সদস্যের কমিটি গঠন
- 📌 প্রতিটি পরিবারকে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে মেট্রো কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। আদালত পুনর্বাসন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সাবেক জেলা বিচারক মনমোহন শর্মার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি আগামী ছয় মাস পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারি চালাবে এবং সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে।
বস্তিবাসীদের মালপত্র স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডকে (ডিইউএসআইবি) সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাসিন্দারা জানান, নতুন স্থানে স্কুলসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান বস্তিটি সামরিক স্থাপনা সংলগ্ন হওয়ায় জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই উচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিটি পরিবারকে এক বছরের জন্য একটি বিনামূল্যে মেট্রো কার্ড দেওয়া হবে, যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি এক বছরের জন্য পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা দেওয়া হবে।
"বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে স্পর্শকাতর এলাকায় এ ধরনের অননুমোদিত স্থাপনা জননিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায়, বিচারপতি তেজস কারিয়ার, মনমোহন শর্মা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ পরিবার, ৬ মাস, ৪৫ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!