📌 দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) 'যন্তর মন্তর ২.০' আন্দোলনের নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার আগেই পুলিশ আটক করেছে। রাজধানীতে ৩৫-৪০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের পাশাপাশি মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ ও মেট্রো চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে
দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) 'যন্তর মন্তর ২.০' আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদারকরণ। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ, নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পুলিশ আটক করেছে। বিমানের ভেতর থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বিমান থেকে আটক**: সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামার আগেই পুলিশ আটক করেছে।
- 📌 **৩৫-৪০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন**: দিল্লিতে কর্মসূচি ঠেকাতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে।
- 📌 **মোবাইল ও মেট্রো বন্ধ**: ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করে চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে। দিল্লি মেট্রোর কিছু স্টেশনের প্রবেশ-বেরহাওয়ার পথও বন্ধ রাখা হয়েছে।
- 📌 **বিধিনিষেধের আওতা**: শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ থাকবে। পুলিশ যানবাহন পরীক্ষা ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
- 📌 **আন্দোলনের দাবি**: নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার প্রত্যাহার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনের পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দিল্লিতে সিজেপির 'যন্তর মন্তর ২.০' কর্মসূচির নেতা-কর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদারকরণ। শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ, নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পুলিশ আটক করেছে। বিমানের ভেতর থেকেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা আন্দোলনকারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বড় জমায়েত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলিয়ে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের খবর পাওয়া গেছে। কিছু প্রতিবেদনে এই সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন হোটেল, অতিথিশালা, ছাত্রাবাস ও আবাসনে গিয়ে খোঁজ নিচ্ছে। বিশেষ করে অন্য রাজ্য থেকে আসা তরুণ-তরুণীদের দলবদ্ধ উপস্থিতি নজরে রাখা হচ্ছে। শুক্রবার রাত থেকেই যন্তর মন্তর সংলগ্ন এলাকায় মাইকিং করে জমায়েতের ওপর বিধিনিষেধের কথা জানানো হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সব পথ বন্ধ করে দেওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান জানানোর পর মেট্রো কর্তৃপক্ষ তাদের আগের নির্দেশে পরিবর্তন আনে। পাশাপাশি নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছানোর কথা থাকা একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে। সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
"তারা গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় পান না। আন্দোলনের নেতাদের আটকের পরও কর্মসূচি বন্ধ করা উচিত নয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (ভারত), মুম্বাই (ভারত), দিল্লি বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, জ্ঞানেশ কুমার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫-৪০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী, ১৬৩ ধারা, ১০টা (রাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!