📌 প্যালেস্টাইন সমর্থক কর্মী মাহমুদ খালিল কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও এর ডিনকে ‘প্রতিষ্ঠানিক নৃশংসতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ দায়ের করেছেন। তিনি ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে নিষিদ্ধকরণের চেষ্টা থেকে রক্ষা পান। মামলায় দাবি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরব ও মুসলিম ছাত্রদের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি’
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালেস্টাইন সমর্থক কর্মী মাহমুদ খালিল এবং প্যালেস্টাইন ওয়ার্কিং গ্রুপ (পিডব্লিউজি) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। তারা দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রতিষ্ঠানিক নৃশংসতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ তাদের প্রতি পরিচালিত হয়েছে। খালিলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিষিদ্ধকরণের চেষ্টা করেছিল। তবে ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাহমুদ খালিল ও প্যালেস্টাইন ওয়ার্কিং গ্রুপ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিন কেরেন ইয়ারহি-মিলোকে ‘প্রতিষ্ঠানিক নৃশংসতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ দায়ের করেছেন।
- 📌 খালিলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিষিদ্ধকরণের চেষ্টা করেছিল।
- 📌 ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে।
- 📌 খালিলের বিরুদ্ধে ১০৪ দিন কারাবন্দী থাকার পর ২০২৫ সালের জুনে মুক্তি পান, কিন্তু তার শিশুর জন্ম মিস করেন।
- 📌 মামলায় দাবি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরব ও মুসলিম ছাত্রদের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি’।
📰 বিস্তারিত
মাহমুদ খালিল, যিনি কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং গাজা যুদ্ধবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রতিষ্ঠানিক নৃশংসতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ তাকে এবং প্যালেস্টাইন ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যদের লক্ষ্য করেছে। খালিলের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ তাকে নিষিদ্ধকরণের চেষ্টা করেছিল। তবে ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে।
মাহমুদ খালিলের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে তার বাড়ি থেকে হাতকড়া দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তার স্ত্রী, যিনি মার্কিন নাগরিক এবং সেই সময়ে ৮ মাসের গর্ভবতী, গ্রেফতারের ভিডিওটি অনলাইনে ব্যাপকভাবে ভাগ করা হয়। খালিলকে ১০৪ দিন কারাবন্দী থাকার পর ২০২৫ সালের জুন মাসে মুক্তি দেওয়া হয়, কিন্তু তার শিশুর জন্ম তিনি মিস করেন।
মামলায় দাবি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দলবলতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ তাদের প্রতি পরিচালিত হয়েছে। খালিল বলেছেন, “কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদেরকে এই বছরগুলোতে যেন জাহান্নামের মতো অভিজ্ঞতা দিয়েছে। আমরা মামলা দায়ের করছি কারণ কোনো ছাত্র, তার পটভূমি নির্বিশেষে, আমাদের মতো অভিজ্ঞতা যেন না পায়।”
মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরব ও মুসলিম ছাত্রদের প্রতি বৈষম্যমূলক নীতি’। খালিল দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দলবলতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ তাকে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে লক্ষ্য করা হয়েছে।
"কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদেরকে এই বছরগুলোতে যেন জাহান্নামের মতো অভিজ্ঞতা দিয়েছে। আমরা মামলা দায়ের করছি কারণ কোনো ছাত্র, তার পটভূমি নির্বিশেষে, আমাদের মতো অভিজ্ঞতা যেন না পায়।"
"কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমার ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে লক্ষ্য করা হয়েছে। তাদের ‘দলবলতা’ ও ‘স্বেচ্ছাচারী নির্যাতন’ আমাকে লক্ষ্য করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ ইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ খালিল, প্যালেস্টাইন ওয়ার্কিং গ্রুপ, ডিন কেরেন ইয়ারহি-মিলো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৪ দিন কারাবন্দী, ৮ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!