📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের মিয়ানমার নীতি: স্বার্থের পথে ঝুঁকির মুখে জান্তা সরকার

চীনের মিয়ানমার নীতি: স্বার্থের পথে ঝুঁকির মুখে জান্তা সরকার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীন মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে অকৃত্রিমভাবে সমর্থন করছে, যা আন্তর্জাতিক নিন্দা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের স্বার্থের পথে চলছে। ২০২৪ সালের পরাজয়ের পর থেকে চীনের 'তিনটি মূল নীতি' মিয়ানমারকে গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে, কিন্তু যুদ্ধ থামেনি এবং স্থিতিশীলতা ফিরেনি। বর্তমানে মিয়ানমারের ১০০টিরও বেশি শহর থেকে চীন মাত্র ২১টি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে

চীনের মিয়ানমার নীতি বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের স্বার্থকেন্দ্রিক কূটনীতির প্রমাণ দিচ্ছে। মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে চীনের অকৃত্রিম সমর্থন দেখে পর্যবেক্ষকরা অবাক হয়ে পড়ছেন। কিন্তু বেইজিং নিজের স্বার্থ কোথায় লুকিয়ে আছে, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে উত্তর শান রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পরাজয়ের পর চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বেইজিং নেপিডোতে সফরকালে ‘তিনটি মূল নীতি’ ঘোষণা করেন। সেই নীতিগুলো হলো: মিয়ানমারকে গৃহযুদ্ধে তলিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না, আসিয়ান জোট থেকে দূরে সরে যেতে দেওয়া যাবে না এবং কোনো বাহ্যিক শক্তি, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো মিয়ানমারে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। চীন আসিয়ানের কাঠামোর মধ্যে থেকে মিয়ানমার সংকটের সমাধান করার চেষ্টা করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চীন মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে অকৃত্রিমভাবে সমর্থন করছে, যা আন্তর্জাতিক নিন্দা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের স্বার্থকেন্দ্রিক কূটনীতির প্রমাণ দিচ্ছে
  • 📌 ২০২৪ সালের পরাজয়ের পর চীনের ‘তিনটি মূল নীতি’ হলো: গৃহযুদ্ধে তলিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না, আসিয়ান জোট থেকে দূরে সরে যেতে দেওয়া যাবে না এবং পশ্চিমা হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ
  • 📌 চীন মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে ইউনান প্রদেশ পর্যন্ত তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন তৈরির প্রস্তাব দিয়ে মালাক্কা প্রণালি এড়িয়ে বছরে ২২ মিলিয়ন টন তেল আমদানি করছে, যার মূল্য ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  • 📌 মিয়ানমারের ১০০টিরও বেশি শহর থেকে চীন মাত্র ২১টি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে, বাকি ৮০টিরও বেশি শহর নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে গেছে
  • 📌 জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়া এলাকায় সৃষ্ট মেধা পাচার মিয়ানমারকে মানবসম্পদের দিক থেকে আগের চেয়ে বহুগুণ দরিদ্র করে তুলেছে

📰 বিস্তারিত

১৯৮৮ সালের গণ-অভ্যুত্থানে জান্তা সরকারের পতনের পরের বছরই চীন সমর্থিত বার্মা কমিউনিস্ট পার্টি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী পশ্চিমা শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে সামরিক বাহিনী চীনের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য হয়। বেইজিং সিদ্ধান্ত নেয় যে কেবল সামরিক বাহিনীই দেশকে একসুতায় বেঁধে রাখতে পারে। ২০০৩-০৪ সালে তৎকালীন চীনের প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও মালাক্কা প্রণালি ঘিরে পরাশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কারণে চীনের জ্বালানি নিরাপত্তায় তৈরি হওয়া ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। সেই কৌশলগত বাধা এড়াতে বেইজিং মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে ইউনান প্রদেশ পর্যন্ত তেল ও গ্যাসের পাইপলাইন তৈরির প্রস্তাব দেয়।

২০২৪ সালের উত্তর শান রাজ্যের ল্যাশিও হারানোর পর যখন সামরিক জান্তা পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল, তখন চীন তাদের পতন হতে না দিয়ে আবার টিকিয়ে তুলতে সক্ষম হয়। অবশ্য, মিয়ানমার নিয়ে চীনের এই নীতি কিছু সফলতাও এনে দিয়েছে। এর ফলেই জান্তা সরকার প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করে একটি তথাকথিত বেসামরিক সরকারের রূপ নিতে পেরেছে এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোও মিয়ানমারের সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু করেছে। তবে এই শাসনের সঙ্গে এসব দেশের যোগাযোগ কেবল বাণিজ্য, অভিবাসন, মাদকের কালোবাজারি বা অনলাইন স্ক্যামের উদ্বেগের কারণে নয়, বরং এর পেছনে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবও বড় ভূমিকা রেখেছে।

বাস্তবতা হলো, জান্তা সরকার এখনো কেবল সামরিক পথেই সমস্যার সমাধান খুঁজছে। চীনের সমর্থনে হারিয়ে যাওয়া ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। চীন হস্তক্ষেপ করার পর উত্তর শান রাজ্যে যুদ্ধবিরতি ঘটলেও দেশের বাকি অংশে যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জান্তা সরকার এক লাখ তরুণকে জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ করেছে বলির পাঁঠা হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। ফলে দেশে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন মেধা পাচার, যা মিয়ানমারকে মানবসম্পদের দিক থেকে আগের চেয়ে বহুগুণ দরিদ্র করে তুলেছে।

"মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা আনার যে স্বপ্ন চীন দেখেছিল, তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক দূরে সরে গেছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিয়ানমার, চীন, ইউনান প্রদেশ, নেপিডো, মালাক্কা প্রণালি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বেইজিং, প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ মিলিয়ন টন তেল, ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ১০০টি শহর, ২১টি পুনরুদ্ধার করা শহর, ৮০টি শহর নিয়ন্ত্রণ হারানো

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖