📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে স্পিকার: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাই চীন

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান বেগম খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়া
চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে স্পিকার: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাই চীন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়ন ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে আলোচনা করেন

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে মঙ্গলবার সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয় সংসদ ভবনের স্পিকার কার্যালয়ে। সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ইতিহাস, বর্তমান সরকারের নির্বাচিত ম্যান্ডেট এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, চীন বাংলাদেশের উন্নয়নে সর্বদা সহায়তা করে আসছে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের মৌলিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়।
  • 📌 বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখা হয়।
  • 📌 স্পিকার উল্লেখ করেন, বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার ও গুমের রাজনীতি জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল।
  • 📌 ১২ লাখ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিকূলতার মুখোমুখি। স্পিকার চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।
  • 📌 রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানর চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে। চীন বাংলাদেশকে পণ্য উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

📰 বিস্তারিত

সাক্ষাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে উন্নয়ন ক্ষেত্রে সর্বদা সহায়তা করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের মৌলিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখেন।

স্পিকার বলেন, বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, অর্থ পাচার, গুম ও খুনের রাজনীতি জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল। তিনি উল্লেখ করেন, সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে স্পিকার বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশকে অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি চীন সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানর চীন সফর বাংলাদেশ ও চীন সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে। চীন বাংলাদেশের উন্নয়নের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন বাংলাদেশকে এই অঞ্চলে পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে আগ্রহী। আইসিটি ও লজিস্টিক পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে।

"বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ করেছে।" — চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় সংসদ ভবন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (স্বৈরাচারী শাসন), ১২ লাখ (রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖