📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা, সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন মাইলফলক

এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা, সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন মাইলফলক

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরান গত এক বছরে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামীতে তিন গুণ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। যুদ্ধকালীন উৎপাদন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গত এক বছরে ইরান নিজেদের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানিয়েছেন, গত এক বছরে ইরানের অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। একই সঙ্গে আগামীতে উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত এক বছরে ইরানের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে
  • 📌 আগামীতে উৎপাদন তিন গুণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে
  • 📌 যুদ্ধকালীন উৎপাদন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে
  • 📌 ইরানের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে ৯ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে
  • 📌 গত বছরের গবেষণা প্রকল্পের ৭৬ শতাংশ সফলভাবে উৎপাদনে রূপান্তরিত হয়েছে

📰 বিস্তারিত

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে জানান, গত এক বছরে ইরানের সামরিক উৎপাদন ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১২ দিনের যুদ্ধের পর দেশটির সামরিক উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের দাবি ছিল ইরানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন থেমে যাবে, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে ইরান যুদ্ধকালীন অগ্রাধিকারসম্পন্ন কিছু কৌশলগত সরঞ্জামের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি বাড়িয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইরান নিজেদের তৈরি সরঞ্জাম ব্যবহার করছে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা কৌশলগত মজুদ এবং বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিরতিহীন উৎপাদনের এই সমন্বয় দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পকে উচ্চ সক্ষমতা এনে দিয়েছে। বর্তমানে প্রতিরক্ষা সরবরাহ ব্যবস্থায় ৯ হাজারের বেশি বেসরকারি ও জ্ঞানভিত্তিক কোম্পানি কাজ করছে, যা গত এক বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত বছর হাতে নেওয়া গবেষণামূলক প্রকল্পের ৭৬ শতাংশই সফলভাবে পণ্য উৎপাদনে রূপান্তরিত হয়েছে বলে জানান তিনি। বিদেশি সমমানের অস্ত্রের তুলনায় কিছু ইরানি অস্ত্র তৈরিতে মাত্র ১০ থেকে ২০ ভাগের এক ভাগ খরচ হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

"ইসলামী বিপ্লবের আগে যেখানে ইরান মাত্র ৩১ ধরনের প্রাথমিক সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করত, সেখানে বর্তমানে ১ হাজারেরও বেশি উন্নত ধরনের ব্যবস্থা ও অস্ত্র তৈরি করছে। ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে ইরান বিশ্বের শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যে এবং ড্রোনের ক্ষেত্রেও অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।"

তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে ইমাম খোমেনি এবং প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে স্মরণ করেন। সামরিক গোপনীয়তা রক্ষা ও শত্রুকে চমক দেওয়ার লক্ষ্যে কিছু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্মোচন ইচ্ছাকৃতভাবে সীমিত রাখা হলেও সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডাররা ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন ও আধুনিকায়ন সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত রয়েছেন বলে তিনি জানান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক
  • 👥 ব্যক্তি: আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (দিন), ৯ হাজার (প্রতিষ্ঠান), ২০ শতাংশ, ৭৬ শতাংশ, ৩১ (ধরনের সরঞ্জাম), ১ হাজার (উন্নত সরঞ্জাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖