📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন নতুন মার্কিন শুল্ক কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা আগে। আলোচনায় শুল্ক স্থগিতের সম্ভাবনা দেখা দিলেও ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। গত মাসে ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপের আদেশে সই করেন। হোয়াইট হাউসের অভিযোগ ছিল, মার্কিন অ্যালকোহল, গাড়ি ও দুগ্ধজাত পণ্যের ক্ষেত্রে কানাডা বৈষম্যমূলক আচরণ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মঙ্গলবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন নতুন মার্কিন শুল্ক কার্যকরের কয়েক ঘণ্টা আগে
- 📌 ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আদেশে সই করেছিলেন গত মাসে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ছিল, কানাডা মার্কিন অ্যালকোহল, গাড়ি ও দুগ্ধজাত পণ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে
- 📌 অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট রফতানির প্রায় ৫ শতাংশ পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে এই শুল্ক
- 📌 নতুন শুল্ক এড়াতে দুই দেশের আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক। এই শুল্কের আওতায় ওয়াইন, হকি স্টিক, সিমেন্টসহ বিভিন্ন পণ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে কার্নি ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে শুল্ক বিষয়ে আলোচনা করেন। এর আগের দিনও দুই নেতা কথা বলেছিলেন। তখন কার্নি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, শুল্ক এড়ানোর আলোচনা অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে রয়েছে।
পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শুল্ক কার্যকর না করার বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে এবং এখন শুধু ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কোনো চুক্তি হলে সেটি সরাসরি ট্রাম্পই ঘোষণা করবেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এ বিষয়ে যেকোনো আলোচনা ভিত্তিহীন জল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলে জানান তিনি।
অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের হিসাব অনুযায়ী, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট রফতানির প্রায় ৫ শতাংশ পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে, যার মূল্য প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শুল্ক কানাডার অর্থনীতির জন্য সামান্য নেতিবাচক ঝুঁকি তৈরি করবে। তবে দেশটির মধ্যাঞ্চলের উৎপাদনশিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
"কোনো চুক্তি হলে সেটি সরাসরি ট্রাম্পই ঘোষণা করবেন। ততক্ষণ পর্যন্ত এ বিষয়ে যেকোনো আলোচনা ভিত্তিহীন জল্পনা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্ক কার্নি, ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!