📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এল নিনোর কারণে বলিভিয়া জরুরি অবস্থা ঘোষণা: ৭৮ হাজার পরিবার খরায় আক্রান্ত

এল নিনোর কারণে বলিভিয়া জরুরি অবস্থা ঘোষণা: ৭৮ হাজার পরিবার খরায় আক্রান্ত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এল নিনোর প্রভাব মোকাবিলায় বলিভিয়া জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। ৬টি প্রশাসনিক বিভাগে ৭৮ হাজার পরিবার খরায় আক্রান্ত এবং ৭৫ হাজার গবাদিপশু মারা গেছে। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এবারের এল নিনো বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে

বলিভিয়ায় এল নিনোর প্রভাব মোকাবিলায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশে প্রচণ্ড খরা ও বন্যার আশঙ্কা থাকায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত। বিজ্ঞানীরা বলছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে এল নিনোর প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। রোববার (১ নভেম্বর) আল-জাজিরা জানায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ জরুরি অবস্থা ঘোষণাসংক্রান্ত ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন। তিনি বন্যা ও খরায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকারী দলের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বলিভিয়া জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এল নিনোর কারণে — ৬টি প্রশাসনিক বিভাগে ৭৮ হাজার পরিবার খরায় আক্রান্ত
  • 📌 খরায় ৭৫ হাজার গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে; সান্তা ক্রুজ অঞ্চলে ২০২৫ সালে বন্যায় মৃত্যু হয় ৪০-এর বেশি মানুষের
  • 📌 বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এবারের এল নিনো বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে
  • 📌 বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, এল নিনোর প্রভাব ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা ১০০ শতাংশ
  • 📌 প্রেসিডেন্ট পাজ বলেছেন, এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ‘অত্যন্ত ভয়াবহ প্রভাব’ দেখা দিতে পারে

📰 বিস্তারিত

বলিভিয়ার সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৯টি প্রশাসনিক বিভাগের মধ্যে ৬টি খরায় আক্রান্ত। এখানে প্রায় ৭৮ হাজার পরিবার এবং ৭৫ হাজার গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। এল নিনো বৈশ্বিক জলবায়ুর একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর দেখা দেয়। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন ঘটে, যার ফলে খরা, বন্যা ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এবারের এল নিনো রেকর্ডে থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘটনাগুলোর একটি হয়ে উঠতে পারে।

২০২৬ সালের শেষ দিকে এল নিনোর প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর কথা থাকলেও, এর প্রভাব ২০২৭ সালেও অব্যাহত থাকতে পারে। বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবারের এল নিনোর কারণে বিশ্বজুড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে দরিদ্র দেশগুলো।

বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ বলেছেন, এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ‘অত্যন্ত ভয়াবহ প্রভাব’ দেখা দিতে পারে। তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন।

"এল নিনোর কারণে খরা ও বন্যার ক্ষেত্রে ‘অত্যন্ত ভয়াবহ প্রভাব’ দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বলিভিয়া (৬টি প্রশাসনিক বিভাগ), সান্তা ক্রুজ অঞ্চল, চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো, পেরু
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮ হাজার পরিবার খরায় আক্রান্ত, ৭৫ হাজার গবাদিপশু মারা গেছে, ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু আশঙ্কা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖