📌 ভারতীয় জনতা পার্টির এমপি নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, ১৯৪৭ সালে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের তিনটি অঞ্চল (নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট) পূর্ব পাকিস্তানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেছেন, এসব অঞ্চল ফিরিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে।
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, ১৯৪৭ সালের পূর্ব পাকিস্তান-ভারত সীমান্তের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল — নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট — ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের শাসকের মতামত উপেক্ষা করে পূর্ব পাকিস্তানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেছেন, এসব অঞ্চল ফিরিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এএনআইকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিশিকান্ত দুবে দাবি করেছেন, ১৯৪৬-৪৭ সালে ত্রিপুরা রাজ্যের শাসকের মতামত উপেক্ষা করে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হিসেবে হস্তান্তর করা হয়েছিল।
- 📌 তিনি বলেছেন, জওহরলাল নেহরু মুসলিম লীগের সমর্থন পেতে এসব অঞ্চল ছেড়ে দিয়েছিলেন।
- 📌 ত্রিপুরার প্রদ্যোত মাণিক্য দাবি করেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের সুযোগ বঞ্চিত করেছে।
- 📌 ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরও এসব অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে ভারতের দাবি জোরদার।
📰 বিস্তারিত
বিজেপির এমপি নিশিকান্ত দুবে বলেছেন, ১৯৪৬ সালে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় জওহরলাল নেহরু মুসলিম লীগের সমর্থন পেতে নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রামকে পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হিসেবে হস্তান্তর করেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের শাসক বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। রাজা প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, নোয়াখালী কীভাবে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া যায় এবং সিলেটে কীভাবে গণভোট আয়োজন করা যেতে পারে।
ত্রিপুরার রাজপরিবারের উত্তরসূরি প্রদ্যোত মাণিক্য নিশিকান্ত দুবের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, দেশভাগের সময় ত্রিপুরা রাজ্যের বিশাল এলাকা অন্ধকারে রেখে পূর্ব পাকিস্তানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর পূর্ব পাকিস্তানের হাতে যাওয়ার কারণে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সরাসরি সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন ছিল না, যদি সরাসরি সমুদ্রপথে যোগাযোগের সুযোগ থাকত।
দুবে আরও দাবি করেছেন, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর ফিরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এসব অঞ্চলও ফিরিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এসব অঞ্চল মধ্যে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম বন্দর ও সিলেট রয়েছে।
"১৯৪৬ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে থাকা জওহরলাল নেহরু মুসলিম লীগের সমর্থন পেতে আগ্রহী ছিলেন। অন্যদিকে, ত্রিপুরার তৎকালীন রাজা বীর বিক্রম কিশোর মাণিক্য নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ত্রিপুরা রাজ্য (ভারত), নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিশিকান্ত দুবে (বিজেপি এমপি), প্রদ্যোত মাণিক্য (ত্রিপুরা রাজপরিবার), জওহরলাল নেহরু (প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ নভেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!