📌 জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতার পক্ষে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ এবং জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কার সমর্থন করে। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শান্তি মিশনে দায়িত্ব পালন করছে এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা কামনা করছেন
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা এবং বহুপাক্ষিকতার প্রতি দেশটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে মজবুত করার পাশাপাশি জাতিসংঘ সংস্কারের পক্ষে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘ সংস্কার: বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের অর্থবহ সংস্কারসহ জাতিসংঘের প্রতিনিধিত্বমূলক ও কার্যকর সংস্কার সমর্থন করে।
- 📌 বহুপাক্ষিকতা: হুমায়ুন কবির বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটে বহুপাক্ষিকতা অপরিহার্য এবং শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজের আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 শান্তিরক্ষা অবদান: বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে দায়িত্ব পালন করছে এবং নারী অংশগ্রহণকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা কামনা করেছেন তিনি।
- 📌 টেকসই উন্নয়ন: ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বহুপাক্ষিকতার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কার এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্কার বাংলাদেশ সমর্থন করে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত ও মানবিক সংকটের এই সময়ে বহুপাক্ষিকতা শুধু বিকল্প নয়, বরং এটি অপরিহার্য।’
হুমায়ুন কবির জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি নারীদের অংশগ্রহণকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিচ্ছে বাংলাদেশ। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, তাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা প্রয়োজন। তিনি টেকসই উন্নয়নের ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
"ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের এ সময়ে বহুপাক্ষিকতা শুধু একটি বিকল্প নয়, বরং এটি অপরিহার্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘ সদর দপ্তর, নিউ ইয়র্ক (বার্তা মাধ্যমে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১তম অধিবেশন, ১২ লাখ রোহিঙ্গা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!