📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে। বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাথে সাক্ষাতে তিনি বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য যুক্তরাজ্যের সহযোগিতার দাবি তুলেছেন
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের সাথে শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সাথে সাক্ষাতে তিনি এই দাবি তুলেছেন। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুককে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক মজবুত করার আহ্বান জানানো হয়।
- 📌 রাষ্ট্রপতি যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষা খাতে — বিশেষত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং কমনওয়েলথ শিক্ষাবৃত্তি প্রোগ্রামের সম্প্রসারণে।
- 📌 মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন রাষ্ট্রপতি।
- 📌 যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করার জন্য শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, এবং প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতি বিশেষভাবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির দাবি তুলেছেন। তিনি কমনওয়েলথ শিক্ষাবৃত্তি প্রোগ্রামের সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও, দেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
সাক্ষাতের সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রাষ্ট্রপতিকে যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। এই অভিনন্দনপত্রটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরই হস্তান্তর করা হয়।
"যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!