📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঘোষণা করেন, মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোনো আপস করবে না। হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবের সহায়তা চাইলে বাংলাদেশ তা দিতে প্রস্তুত। বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্ককে বহুমাত্রিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও আগ্রহের কথা স্পষ্ট করেছেন। হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবের পক্ষ থেকে সহায়তা চাইলে বাংলাদেশ তা দিতে প্রস্তুত থাকবে। আজ শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘কর্মশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারত্ব: বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের পুনর্কল্পনা’ শীর্ষক সেমিনারের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের কোনো আপস নেই — পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের ঘোষণা
- 📌 হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবের সহায়তা চাইলে বাংলাদেশ তা দিতে প্রস্তুত — পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি
- 📌 মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে — আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ আসার বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্ককে বহুমাত্রিক করার উদ্যোগ — জ্বালানি, প্রযুক্তি, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো হবে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌদি সফর নিশ্চিত — তবে তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি
📰 বিস্তারিত
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে অসংখ্য মুসলমানের বসবাস রয়েছে। মুসলিম বিশ্বের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে ইতিমধ্যে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ আসার বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার—পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তায় কোনো আপস নেই।
হুতিদের হামলার পর সৌদি আরবে বাংলাদেশি সেনা পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় যেকোনো সহায়তা চাইলে বাংলাদেশ তা দিতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্ক আগে শ্রমিক পাঠানোর ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন সেই সম্পর্ককে আরও আধুনিক ও বহুমাত্রিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি, প্রযুক্তি, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। দক্ষ ও পেশাদার জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের ইতিবাচক আলোচনা চলছে।
কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের সফর ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরব থেকে মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সফর এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বাড়ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন শুধু সহায়তানির্ভর সম্পর্কের বাইরে যেতে চায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ বিনিয়োগ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌদি আরব সফরের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই সৌদি আরব সফর করবেন। তবে সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তারিখ নির্ধারিত হলে তা গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
"মক্কা ও মদিনা যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেখানে অসংখ্য মুসলমানের বসবাস। মুসলিম দেশগুলোর জন্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী কার্যক্রমে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো গেলে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরেন সার্ভিস একাডেমি (ঢাকা), মক্কা, মদিনা, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সেমিনার), ২ (দেশ: বাংলাদেশ ও সৌদি আরব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!