📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সার্ক পুনরুজ্জীবন প্রকল্পে ভুটানকে আহ্বান: বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সাথে আলোচনা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির
সার্ক পুনরুজ্জীবন প্রকল্পে ভুটানকে আহ্বান: বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সাথে আলোচনা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সাথে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বৈঠকে সার্ক পুনরুজ্জীবনের জন্য ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ভুটানের প্রথম স্বীকৃতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব আলোচিত হয়

১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির সময় বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির তাকে সার্ক পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগে সহযোগিতা চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয় এই বৈঠকে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সাথে বাংলাদেশের দুই মন্ত্রীর বৈঠকে সার্ক পুনরুজ্জীবনের জন্য সহযোগিতা চাওয়া হয়।
  • 📌 ড. আবদুল মঈন খানহুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।
  • 📌 ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ভুটান প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি স্মরণ করে বৈঠকে আলোচনা হয়।
  • 📌 গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি প্রকল্পে বাংলাদেশের পেশাজীবী ও দক্ষ জনবলের সহযোগিতা চাওয়া হয়।
  • 📌 ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির সময় বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির তাকে অভ্যর্থনা জানান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়। বিশেষভাবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ভুটান প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি স্মরণ করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে এই প্রকল্পে বাংলাদেশ থেকে পেশাজীবী, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনবল দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহের কথা জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে ঢাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ভিভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থান করেন। পরে তিনি জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

"বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার জন্য সহযোগিতা চাইছি। বিশেষ করে সার্ক পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগে ভুটানের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দাশো শেরিং তোবগে (ভুটানের প্রধানমন্ত্রী), ড. আবদুল মঈন খান, হুমায়ুন কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖