📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে ভারতের কাছে পানির ন্যায্য অংশ চায়। ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার জন্য ভারতীয় প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে ভারতের কাছে পানির ন্যায্য অংশ পাওয়ার দাবিতে এগিয়ে যাচ্ছে। পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে এবং ভারতীয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পানি ন্যায়বিচারের দাবি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশের পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে যুক্তি রয়েছে এবং দেশের জনগণের সমর্থন এই দাবিকে শক্তিশালী করছে।
- 📌 ১৫৪টি নদীর আলোচনা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলছে।
- 📌 কমিটি গঠন ও প্রতিনিধি চাওয়া: বাংলাদেশ একটি কমিটি গঠন করেছে এবং ভারতীয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে।
- 📌 আশাবাদী জবাবের অপেক্ষা: হুমায়ুন কবির বলেছেন, ভারতীয় পক্ষের ইতিবাচক জবাব খুব শিগগিরই আসতে পারে।
- 📌 নেতৃত্বের ভূমিকা: তিনি বলেন, দুই দেশের নেতৃত্ব ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সহযোগিতার মানসিকতা থাকলে পানি নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে যেতে পারে।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক একটি সেমিনারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে যুক্তিপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের জনগণের সমর্থন ও প্রত্যাশা এই আলোচনাকে আরও শক্তিশালী করছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, পানি ইস্যুতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও নিয়মিত সংলাপ প্রয়োজন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করেছে এবং ভারতীয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ ও আলোচনা শুরু করতে চায়।
তিনি বলেন, “আমরা ভারতীয় পক্ষের জবাবের অপেক্ষা করছি। আশা করি খুব শিগগিরই ইতিবাচক জবাব পাওয়া যাবে। এরপর দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে পরবর্তী পর্যায়ের পানি চুক্তি নবায়নের পথ তৈরি হবে।”
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনায় আন্তর্জাতিক আইনকে বাংলাদেশের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আলোচনা, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে এ ধরনের বিষয়গুলোর সমাধান করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের সংশ্লিষ্ট নীতিগুলোও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
দেশের ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, অতীত বা প্রচলিত ধারায় না থেকে গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলা করতে চায় সরকার।
"আলোচনা, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে পানি ইস্যুতে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক সমাধান পাওয়া সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ (সেমিনার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৪টি অভিন্ন নদী, ৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!