📌 ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মেরামতের জন্য ভারত যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু এখন বিষয়টি ঢাকার ওপর নির্ভরশীল। তিনি শেখ হাসিনার ভারতীয় অবস্থান এবং তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত কীভাবে আকৃতিবদ্ধ হবে, সে বিষয়ে সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী একটি সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত এ পর্যন্ত যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে সম্পর্ক মেরামতের জন্য, কিন্তু এখন বিষয়টি ঢাকার ওপর নির্ভর করছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে নিম্ন পর্যায়ে রাখতে চাইলে বাংলাদেশও সেটি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মেরামতের জন্য ভারত যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু এখন বিষয়টি ঢাকার ওপর নির্ভরশীল।
- 📌 তিনি জানান, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারের কোনো বাধা ছিল না।
- 📌 সাবেক হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (সাবেক বিএনপি নেতা) বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনার ভারতে থাকা দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী লবি ভারতকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি করছে।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা যদি নিজে বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান, তাহলে ভারত বাধা দেবে না, কিন্তু জানতে চাইবে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পর তার সঙ্গে কী করা হবে। কারণ জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য পক্ষ শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চায় বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- 📌 পিনাক রঞ্জন বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আবার মেরামত করা সম্ভব, তবে এর জন্য দুই পক্ষেরই উদ্যোগ প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা অর্থনৈতিক, তাই ভারত যতটা সম্ভব জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।
📰 বিস্তারিত
ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতে ভারত এখন পর্যন্ত যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে। এখন বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার পালা বাংলাদেশের। তিনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বাংলাদেশ চাইলে বলতে পারে, তারা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে নিম্ন পর্যায়ে রাখতে চায়। সেটিও গ্রহণযোগ্য। এর আগে এমন মনোভাব দেখা গেছে।’
শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে ভারতের ভালো সম্পর্ক ছিল। তাই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাকে এখানে আসতে দেওয়া যাবে না, এমন কথা বলার কোনো কারণ ছিল না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (সাবেক বিএনপি নেতা) বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনার ভারতে থাকা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী লবি ভারতকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি করছে।
সাবেক হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে বেশ কয়েকবার অনুরোধ করেছে। তবে প্রত্যর্পণ একটি বিচারিক প্রক্রিয়া এবং বাংলাদেশ সরকার এখনো সেই প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা করেনি। শেখ হাসিনা যদি নিজে বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান, তাহলে ভারত সরকার তাঁকে বাধা দেবে না। তবে ভারত জানতে চাইবে, বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পর তার সঙ্গে কী করা হবে। কারণ জামায়াতে ইসলামীর মতো কিছু পক্ষ আছে, যারা বাংলাদেশে ফেরার পর তাঁকে হত্যা করতে চায়।’
পিনাক রঞ্জন বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য কীভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের পথ কঠিন করেছে, সে বিষয়ে ভারত সরকারের কোনো বাধা ছিল না। শেখ হাসিনাকে ভারতে আটক বা কারাগারে রাখা হয়নি। তিনি বলেছেন, যে পরিণতিই তাকে মোকাবিলা করতে হোক না কেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান।’
"অবশ্যই দুই দেশের সম্পর্ক মেরামত করা সম্ভব। তবে এর জন্য দুই পক্ষেরই উদ্যোগ প্রয়োজন। ভারত যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছে। এখন বিষয়টি ঢাকার ওপর নির্ভর করছে। বাংলাদেশ চাইলে বলতে পারে, তারা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে নিম্ন পর্যায়ে রাখতে চায়। সেটিও গ্রহণযোগ্য। এর আগে এমন মনোভাব দেখা গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (ভারত), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী (সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার), শেখ হাসিনা, তারেক রহমান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (সাবেক বিএনপি নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!