📌 প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য শিক্ষাপ্রদানকারী। তিনি বলেছেন, চীনের সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিচিতি গড়ে তোলা জরুরি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও মজবুত করার জন্য সফর করছে
চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা শেখার লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দল সফর করছে। এই সফরকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেছেন, এই সফর শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না, বরং চীনের সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বোঝার চেষ্টা করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য শিক্ষাপ্রদানকারী।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের এবারের চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভবিষ্যত সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
- 📌 চীনের সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিচিতি গড়ে তোলা জরুরি বলে জবিউল্লাহ।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী।
- 📌 চীনের ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু, উদ্যোক্তাদের সালিশি সহায়তা এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন উপদেষ্টা।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) চীনা দূতাবাস আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সফরপূর্ব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, এই সফরটি শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তিনি বলেন, “আপনারা ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধি। চীনকে শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে দেখলে হবে না। তাদের সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান ও মানুষের সঙ্গে পরিচিতি গড়ে তোলা জরুরি। কীভাবে চীন এত বড় অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তর ঘটিয়েছে, তা বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।”
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ চীনে হওয়ায় দেশটির উন্নয়ন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হতে পারে। তিনি বলেন, “চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশের শেখার বড় জায়গা হলো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন এবং পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন।”
জবিউল্লাহ আরও বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য চীনের ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু, দুই দেশের উদ্যোক্তাদের জন্য সালিশি সহায়তা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী এবং এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে জনগণের জন্য আরও বেশি সুফল বয়ে আনবে।
"আপনারা ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধি। চীনকে শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠকের মাধ্যমে দেখলে হবে না। তাদের সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান ও মানুষের সঙ্গে পরিচিতি গড়ে তোলা জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চীনা দূতাবাস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ (প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ কোটি (বাংলাদেশের জনসংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!