📌 বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে আগ্রহী বাংলাদেশের কথা বলেছেন। চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবস উদযাপনে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীনকে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে এবং উভয় দেশের সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে নতুন গতি এসেছে
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান চীনের উন্নয়ন পথে বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে আগ্রহী — সে কি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বা ডিজিটালাইজেশন। মন্ত্রী বলেন, শুধু সরকার-থেকে-সরকারের সহযোগিতা যথেষ্ট নয়; বাংলাদেশ চীনা ও বাংলাদেশি জনগণের মধ্যে ‘জনগণের সাথে জনগণের’ যোগাযোগের সুযোগ বাড়াতে চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের অভিজ্ঞতা শিখতে আগ্রহী বাংলাদেশ — অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও ডিজিটালাইজেশন থেকে শেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান
- 📌 ৭৭তম জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানে ঢাকার চীনা দূতাবাসে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন মন্ত্রী
- 📌 বাংলাদেশ চীনকে ঘনিষ্ঠ মিত্র — বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প ও সংস্কৃতিতে সম্পর্কের বিস্তার ঘটেছে
- 📌 চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারকে চীন সমর্থন করে; স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চীনের পক্ষপাতিত্ব
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত করেছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীনকে অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে উভয় দেশের সম্পর্ক বিস্তৃত। মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, বিগত দশকে চীনের রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফর থেকে শুরু করে মাত্র কয়েক মাস আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর পর্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময় ঘটেছে। এসব সফর ও আলোচনা যুগান্তকারী প্রকল্প ও চুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে অব্যাহত সহায়তা করছে।
চীনের ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারকে চীন সমর্থন করে। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সমর্থন দেয়। বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা এবং বাংলাদেশের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা সমর্থন করে চীন। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত করেছে। তিনি বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো ঝড়ই এই সম্পর্কের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াকে রুখে দিতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি পেশার প্রতিনিধি।
"আমরা বিশ্বাস করি যে শুধুমাত্র সরকার-থেকে-সরকার পর্যায়ের সহযোগিতা যথেষ্ট নয়; আমাদের অবশ্যই চীনা ও বাংলাদেশিদের মধ্যে আরও বেশি ‘জনগণের সাথে জনগণের’ যোগাযোগের সুযোগ প্রদান করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চীনা দূতাবাস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আবদুল মঈন খান (মন্ত্রী), ইয়াও ওয়েন (রাষ্ট্রদূত), সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী), রুহুল কবির রিজভী (বিএনপি মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৭তম জাতীয় দিবস, ২৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!