📌 বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব বাড়ানোর আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর সম্পর্কের নতুন উচ্চতা নিয়ে আলোচনা করা হয়
২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব আরো জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাতে এই আলোচনা সংঘটিত হয়। সাক্ষাতে বাংলাদেশের সাথে চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও আস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায়** প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়
- 📌 **প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর** বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- 📌 **বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি** শিক্ষা, প্রযুক্তি, প্রশাসন ও জ্ঞান-বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে বলে জানান জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
- 📌 **চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি** উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
- 📌 **বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ** সহকারে প্রশিক্ষণে যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হবে
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন ও জ্ঞান-বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও জোরদার করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে বাংলাদেশে সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এই প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখার প্রস্তাব দেন তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতে রাষ্ট্রদূতকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জনপ্রশাসন উপদেষ্টা। পরে তারা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। সাক্ষাতে চীনের দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও গভীর করা সম্ভব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, ইয়াও ওয়েন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!