📌 চিলির রাষ্ট্রপতি জোসে এনটনিও কাস্ট-এর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. তৌহিদুল ইসলাম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুলে ধরেন। আগামী বছরের জানুয়ারিতে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে
চিলির রাষ্ট্রপতি জোসে এনটনিও কাস্ট-এর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন বাংলাদেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত মো. তৌহিদুল ইসলাম। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশের পর চিলির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেনা উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রদূত মো. তৌহিদুল ইসলাম চিলির রাষ্ট্রপতি জোসে এনটনিও কাস্ট-এর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন
- 📌 বৈঠকে দুই দেশের মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুলে ধরা হয়
- 📌 আগামী বছরের জানুয়ারিতে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা
- 📌 দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- 📌 বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও ওষুধ এবং চিলির কপার ও লিথিয়ামের বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ
📰 বিস্তারিত
চিলির রাষ্ট্রপতি জোসে এনটনিও কাস্ট-এর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত মো. তৌহিদুল ইসলাম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেনা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত পরিচয়পত্র পেশের পর রাষ্ট্রপতি তাকে অভিনন্দন জানান এবং গত জুলাই মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের কথা উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি চিলির পক্ষ থেকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব তুলে ধরেন এবং এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আগ্রহের কথা উল্লেখ করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, আগামী বছরের জানুয়ারিতে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেনা বাংলাদেশ সফর করবেন এবং সে সময়ে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বাংলাদেশ ও চিলির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যকার দ্বিতীয় বার্ষিক পরামর্শক সভা আগামী অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে ঢাকায় আয়োজন করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত। এ সভা উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চুক্তি চূড়ান্তকরণের উপযুক্ত প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করবে।
"রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রদূতকে পরিচয়পত্র পেশ করার জন্য অভিনন্দন জানান এবং গত জুলাই মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে চিলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের কথা উল্লেখ করেন। তিনি দুদেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চিলির পক্ষ থেকে উভয় দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব রাষ্ট্রদূতকে স্মরণ করিয়ে দেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চিলি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তৌহিদুল ইসলাম (রাষ্ট্রদূত), জোসে এনটনিও কাস্ট (রাষ্ট্রপতি), ফ্রান্সিসকো পেরেজ মাকেনা (পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!