📌 ৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে তুরস্কের আঙ্কারায় বাংলাদেশের দূতাবাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদ্যাপিত হয়। রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক পতাকা উত্তোলন করে কর্মসূচির সূচনা করেন এবং বাণী পাঠের মাধ্যমে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন
৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে তুরস্কের আঙ্কারায় বাংলাদেশের দূতাবাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ঐতিহাসিক স্মরণোৎসবে যথাযথ মর্যাদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণামূলক একটি দিন হিসেবে পালিত হয়। সকালে দূতাবাসের প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক শুরু হয়। দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক এই অনুষ্ঠানের প্রধান আহ্বায়ক ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে আঙ্কারায় বাংলাদেশের দূতাবাসে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদ্যাপিত হয়।
- 📌 রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক পতাকা উত্তোলন করে কর্মসূচির সূচনা করেন এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয় এবং বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
- 📌 রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পাওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনাটি স্মরণীয়।
- 📌 তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক দেশে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
📰 বিস্তারিত
সকালের অনুষ্ঠানে প্রথমে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর দূতাবাসের সভাকক্ষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দিবসটির পটভূমি ও তাৎপর্য সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পাওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনাটি স্মরণীয়। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ দেশে গড়ে তোলার প্রয়োজন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার চেতনা নিয়ে দুর্নীতি, বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে দেশের অগ্রযাত্রায় কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রবাসের মাটিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
"১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐক্যবদ্ধ সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পেয়েছিল। এই চেতনা নিয়ে দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ দেশে গড়ে তোলা দরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আঙ্কারা, তুরস্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!