📌 ৭৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ নার্স জয়েস থমাস ব্রেক্সিটের জটিলতায় সুইডেন থেকে বহিষ্কারের আদেশ পেয়েছেন। ২২ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে সুইডেনে বসবাস শুরু করে তিনি এখন স্বামীর কবর, পরিবার ও বন্ধুদের ছেড়ে যেতে বাধ্য হতে পারেন।
৭৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ নার্স জয়েস থমাসের জীবন এখন এক অজানা অনিশ্চয়তার মধ্যে ডুবে গেছে। সুইডেনে ২২ বছর ধরে বসবাসকারী তিনি এখন ব্রেক্সিটের জটিলতায় দেশ ছাড়ার আদেশ পেয়েছেন। স্বামীর কবর, পরিবার, বন্ধুদের ছেড়ে যেতে বাধ্য হতে পারেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ নার্স জয়েস থমাসকে সুইডেন থেকে বহিষ্কারের আদেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ তিনি ব্রেক্সিটের পর বসবাসের মর্যাদার আবেদন করেননি
- 📌 জয়েসের স্বামী ২০২৩ সালে ক্যানসারে মারা গেছেন, কিন্তু তিনি সুইডেনেই থেকে গেছেন স্বামীর কবর, ছেলে, নাতি-নাতনি ও বন্ধুদের জন্য
- 📌 ৮ সেপ্টেম্বর ছিল জয়েসের সুইডেন ছাড়ার শেষ সময়, কিন্তু তারও আগে তিনি আইনজীবীদের মাধ্যমে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঠেকানোর চেষ্টা করছেন
- 📌 ব্রেক্সিটের পর সুইডেনে বসবাসকারী ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে জয়েসের মতো অসহায় অবস্থায় পড়া আরো অনেকের রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সুইডেনে ২২ বছর বসবাসকারী ব্রিটিশ নার্স জয়েস থমাসের জীবন এখন এক অজানা অনিশ্চয়তার মধ্যে ডুবে গেছে। ব্রেক্সিটের পর সুইডেনে বসবাসের মর্যাদার জন্য আবেদন না করার কারণে তিনি এখন সুইডেন ছাড়ার আদেশ পেয়েছেন। জয়েসের স্বামী ২০২৩ সালে ক্যানসারে মারা গেছেন, কিন্তু তিনি সুইডেনেই থেকে গেছেন স্বামীর কবর, ছেলে, নাতি-নাতনি ও বন্ধুদের জন্য।
জয়েসের মতে, তিনি জানতেন না যে ব্রেক্সিটের পর সুইডেনে বসবাসের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এটা একেবারে নরকের মতো। আমি ঘুমাতে পারছি না, খেতে পারছি না। সকালে ঘুম থেকে উঠে বুঝতে পারি না, কী হতে যাচ্ছে।’
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্যের নাগরিকেরা আর ইইউর নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হননি। তাই সুইডেনে বসবাসের অধিকার নিয়ে তাদের জন্য আর সম্ভব ছিল না। ব্রিটিশ নাগরিকেরা সুইডেনে থাকার জন্য বসবাসের মর্যাদার আবেদন করতে পারতেন, কিন্তু জয়েস ও তাঁর স্বামী সেই আবেদন করেননি। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর ছিল সেই আবেদনের শেষ সময়।
জয়েসের আইনজীবীরা বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। তবে সুইডেনের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ মাইগ্রেশনসভেরকেটের সাথে যোগাযোগে জানা যায়, জয়েসের আবেদন ও আপিল প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর ছিল জয়েসের সুইডেন ছাড়ার শেষ সময়।
"আমি ক্লান্ত, সত্যিই আমি ক্লান্ত। আর আমি তো এখন তরুণ নই। সহানুভূতি কোথায়? আমি এখানে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করছি। এখানে আমার বন্ধু আছে, পরিবার আছে।"
জয়েসের ঘটনা একা নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্যদেশে ব্রেক্সিটের পর থেকে ২ হাজার ৪৯০ জন ব্রিটিশ নাগরিককে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সুইডেনপ্রবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইডেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জয়েস থমাস (৭৮ বছর, ব্রিটিশ নার্স)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর (সুইডেনে বসবাস), ৭৮ বছর (বয়স), ৮ সেপ্টেম্বর (সুইডেন ছাড়ার শেষ তারিখ), ২০২০ (ব্রেক্সিটের তারিখ), ২০২১ (আবেদনের শেষ তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!