📌 বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশের কারণে আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে বিজিবি উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এদের মধ্যে ১৮ বাংলাদেশি ও ৬ রোহিঙ্গা রয়েছেন
বাংলাদেশের জেলেরা যাতে নিরাপদে দেশে ফিরতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বিজিবির মানবিক উদ্যোগের ফলে মিয়ানমারের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ২৪ জেলে দেশে ফিরেছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্যরেখায় আরাকান আর্মির কাছ থেকে জেলেদের গ্রহণ করে টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজিবির উদ্যোগে মিয়ানমারের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ফিরেছেন ২৪ জেলে
- 📌 জেলেদের মধ্যে ১৮ বাংলাদেশি ও ৬ রোহিঙ্গা রয়েছেন
- 📌 জেলেরা অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেছিলেন
- 📌 বিজিবি জানায়, অবশিষ্ট আটক জেলেদেরও দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে
📰 বিস্তারিত
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশের কারণে আরাকান আর্মির হাতে আটক হওয়া ২৪ জেলেকে বিজিবি উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি ও ছয়জন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা রয়েছেন। বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, ২০২৫ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে মাছ ধরার নৌকার জেলেরা অনিচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের আটক করে আরাকান আর্মি। পরে তাদের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংগঠনটির নিয়ন্ত্রিত এলাকা অথবা কারাগারে আটক রাখা হয়।
মানবিক বিবেচনায় জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির উদ্যোগে মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ধাপে ধাপে আটক জেলেদের হস্তান্তরের বিষয়ে অগ্রগতি হয়। বুধবার নাফ নদীর শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ জেলেকে গ্রহণ করে বিজিবি। পরে তাদের টেকনাফ জেটিঘাটে আনা হয়। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে তাদের পরিচয় যাচাইয়ের কার্যক্রম চলছে। যাচাই শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
"সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বিজিবির দায়িত্ব। মানবিক সংকট মোকাবিলায় পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট আটক জেলেদেরও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তের নিরাপত্তা ও জনগণের আস্থা ধরে রেখে সংবিধান ও আইনের আলোকে বিজিবি দায়িত্ব পালন করে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাফ নদীর শূন্যরেখা, টেকনাফ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জন জেলে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!