📌 দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা পাকিস্তানি নারীদের ভারতে বিবাহের সুযোগ মিলেছে। সরকারি বিধিনিষেধের কারণে দুই দেশের সীমান্ত বন্ধ থাকায় প্রায় ১৫০ জন কনে বিকল্প পথে ভারতে প্রবেশ করেছেন। এখনও তিনশ'র বেশি নারী ভারতে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভারত সরকারের বিশেষ অনুমতিতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রায় ১৫০ জন পাকিস্তানি কনে বিকল্প ট্রানজিট রুটে ভারতে প্রবেশ করেছেন। ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বন্ধ থাকায় দুই দেশের মধ্যে স্থগিত হয়ে যাওয়া বহু বিবাহের জট অবশেষে কাটতে শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতে প্রবেশ করেছেন প্রায় ১৫০ জন পাকিস্তানি কনে
- 📌 দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর মিলেছে সরকারি অনুমতি
- 📌 আয়োজকদের দাবি, আরও তিনশ'র বেশি নারী ভারতে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন
- 📌 ভারত সরকারের বিশেষ ভিসা ব্যবস্থায় এসেছেন কনেরা
📰 বিস্তারিত
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিধিনিষেধের কারণে দুই দেশের বহু পরিবারের বিবাহ স্থগিত হয়ে পড়েছিল। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানির পর ভারত সরকার অপারেশন সিঁদুর শুরু করে। এর ফলে ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
এই পরিস্থিতিতে রায়পুর-ভিত্তিক আধ্যাত্মিক নেতা সন্ত যুধিষ্ঠিরলাল শাদানির উদ্যোগে ভারতে থাকা পুরুষদের সঙ্গে ইতোমধ্যে বাগদান সম্পন্ন হওয়া পাকিস্তানি মহিলাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষ এই তালিকাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে ভিসার অনুরোধ জানায়। পরবর্তীতে ভারত সরকার আকাশপথে ভ্রমণের শর্ত সাপেক্ষে তাঁদের ভিসা প্রদান করে।
সম্প্রদায় নেতা রাজেশ ঝাম্বিয়া জানান, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় ১৫০ জন কনে ও তাঁদের পরিবার দুবাই, ওমান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ হয়ে ভারতে এসে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে নাগপুরেই এসেছেন ১৫ জন কনে। আয়োজকদের মতে, পাকিস্তানে এখনও এমন তিনশ'র বেশি নারী ভারতে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁদের জন্যও দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
"গত বছর থেকে ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বন্ধ থাকায় শত শত বিয়ে থমকে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত, পাকিস্তান
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: রাজেশ ঝাম্বিয়া, সন্ত যুধিষ্ঠিরলাল শাদানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ জন, ৩০০ জন, ২৬ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!