📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অন্তর্মুখী সন্তানের মন বোঝার গোপন উপায়: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

অন্তর্মুখী সন্তানের মন বোঝার গোপন উপায়: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া অন্তর্মুখী সন্তানের মন বোঝার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ৩০ আগস্ট অনুষ্ঠিত ১৮০তম সভায় তিনি অভিভাবকদের নজরদারি ছাড়াই মমতা ও বিশ্বাস তৈরি করার পরামর্শ দেন

৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৮০তম মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় বিশেষজ্ঞরা অন্তর্মুখী সন্তানের মন বোঝার উপায় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সভায় উপস্থিত হয়ে অভিভাবকদের কাছে একটি মূল্যবান আলোচনা উপস্থাপন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সন্তানের অন্তর্মুখী স্বভাব — সব শিশু সমান নয়; কিছু শিশু প্রাণবন্ত হয়, অন্যরা মনের কথা লুকিয়ে রাখে
  • 📌 বিশ্বাসের অভাব — যদি সন্তান মনে করে অভিভাবকরা তাদের কথা অন্যদের সামনে আলোচনা করবেন, তাহলে তারা মনের কথা লুকিয়ে ফেলে
  • 📌 স্পাই না, মমতা — নজরদারি না করে পাশে বসে পরম মমতা ও বিশ্বাস তৈরি করতে হবে
  • 📌 অনমনোযোগের সাইন — পড়ার সময় অমনোযোগী হলে সন্তানের সঙ্গে কথা বলার জন্য সময় নিতে হবে

📰 বিস্তারিত

৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজনে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলো কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ১৮০তম অনলাইন মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এই সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সন্তানের মন বোঝার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, সন্তান যদি অন্তর্মুখী হয়, তাহলে তাদের কথা সহজে বলতে পারবে না। বিশেষত যখন তারা মনে করে তাদের কথা অন্যদের সামনে আলোচনা বা উপহাসের বিষয় হতে পারে।

ডা. জোবায়ের মিয়া অভিভাবকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, সন্তানের ওপর স্পাই বা নজরদারি না করে পাশে বসে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। বিশেষ করে পড়ার সময় যদি সন্তান অমনোযোগী বা আনমনা থাকে, তাহলে একটু সময় দিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তিনি মমতা ও বিশ্বাস তৈরি করার গুরুত্ব জোরালোভাবে বলেন।

"সব শিশু সমান হয় না। কিছু শিশু প্রাণবন্ত হয় এবং সব কথা বলে দেয়। কিন্তু যারা অন্তর্মুখী, তারা যদি অভিভাবককে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে না পারে—যেমন তাদের কথা নিয়ে অন্যদের সামনে আলোচনা বা উপহাস করা হবে—তবে তারা মনের কথা লুকিয়ে ফেলে। এদের ওপর স্পাই বা নজরদারি না করে পাশে বসতে হবে। পড়ার টেবিলে অমনোযোগী হলে বা আনমনা থাকলে একটু সময় দিয়ে পরম মমতায় ও ট্রাস্ট তৈরি করে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জোবায়ের মিয়া (সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট ২০২৬ (সভা তারিখ), ১৮০তম (সভা সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖