📌 সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় পটকা মাছের তরকারি খেয়ে পরিবারের পাঁচজন বিষাক্ত হয়ে পড়েন। এর মধ্যে মুদি ব্যবসায়ী আজহারুল ইসলামের মৃত্যু হয়। বাকি চারজন সাতক্ষীরা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন, একজন খুলনায় রেফার করা হয়েছে
সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় পটকা মাছের বিষক্রিয়ায় এক পরিবারের পাঁচজনের জীবন বিপদে পড়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় পরিবারের প্রধান মুদি ব্যবসায়ী আজহারুল ইসলাম (৫৫) মৃত্যুবরণ করেছেন। বাকি চারজন — তার স্ত্রী ময়না বেগম, মা রাশিদা বেগম (৬৫), মেয়ে সোনালী (১১) এবং ছেলে রমিম (৭) — সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরা আশাশুনির বড়দল গ্রামে পটকা মাছের তরকারি খেয়ে পরিবারের পাঁচজন বিষাক্ত হয়ে পড়েন
- 📌 মুদি ব্যবসায়ী আজহারুল ইসলামের মৃত্যু হয় — তিনি পরিবারের প্রধান ছিলেন
- 📌 বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন: স্ত্রী ময়না বেগম, মা রাশিদা বেগম (৬৫), মেয়ে সোনালী (১১) ও ছেলে রমিম (৭)
- 📌 একজনকে খুলনায় রেফার করা হয়েছে, বাকি চারজন সাতক্ষীরা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন
- 📌 পটকা মাছে মারাত্মক বিষ থাকতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়
📰 বিস্তারিত
সোমবার দুপুরে বড়দল গ্রামের মজিদ গাজীর পরিবারে ঘটে এই দুর্ঘটনা। স্থানীয় বাজার থেকে কাটা পটকা মাছ কিনে পরিবারের সদস্যরা তরকারি খান। খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজহারুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলাদার জানান, পটকা মাছে বিষাক্ত পদার্থ থাকতে পারে যা খেলে প্রাণহানি ঘটতে পারে। তিনি বলেন, এ ধরনের মাছ খাওয়ার বিরত থাকতে সবসময় সচেতন থাকতে হবে। তবে এই ঘটনার খবর তিনি এখনো পাননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।
"পটকা মাছে মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থ থাকে, যা খেলে প্রাণহানি হতে পারে। এ কারণে এ ধরনের মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে সবসময় সচেতন করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বড়দল গ্রাম, আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আজহারুল ইসলাম (৫৫), ময়না বেগম, রাশিদা বেগম (৬৫), সোনালী (১১), রমিম (৭)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আক্রান্ত (১ মৃত্যু), ১ জন খুলনায় রেফার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!