📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পায়ের নখের কোনা দেবে গেলে কী করবেন? ডাক্তারের পরামর্শ ও ঘরোয়া উপায়ের সত্য

পায়ের নখের কোনা দেবে গেলে কী করবেন? ডাক্তারের পরামর্শ ও ঘরোয়া উপায়ের সত্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পায়ের নখের কোনা দেবে গেলে ব্যথা ও অস্বস্তি বাড়ায়। সিলেটের একজন ডাক্তারের মতে, নখ কাটার ভুল পদ্ধতি, আঘাত বা সংক্রমণই এর প্রধান কারণ। প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে লবণযুক্ত উষ্ণ পানিতে পা ডুবিয়ে রাখা উপকারী। তবে পুঁজ জমা বা তীব্র ব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

পায়ের নখের কোনা দেবে গেলে চলাফেরা বা হাঁটার সময় ব্যথা ও অস্বস্তি সৃষ্টি করে। এই সমস্যার কারণ, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে— এসব বিষয়ে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালের কনসালট্যান্ট সার্জন ডা. রেজা আহমদের পরামর্শ জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **নখের কোনা দেবে যাওয়ার প্রধান কারণ**: নখ কাটার সময় গভীরভাবে কাটা, নখের কোনা গোলাকার করা, পায়ের আঘাত বা জুতা চেপে পড়া। ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ঘাম বা পায়ের সংক্রমণও ঝুঁকি বাড়ায়।
  • 📌 **লক্ষণ**: নখের কোনায় ব্যথা, ফোলা, লালচে হওয়া, পুঁজ জমা, নখ ভেঙে যাওয়া বা রং বদলানো।
  • 📌 **প্রাথমিক চিকিৎসা**: লবণযুক্ত উষ্ণ পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখা, বিশ্রাম ও পা উঁচু রাখা।
  • 📌 **ঘরোয়া পদ্ধতি সাবধান**: ‘পটাশ’ বা বেগুন ব্যবহার করলে ত্বক জ্বালা বা সংক্রমণ বাড়তে পারে। বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
  • 📌 **চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময়**: পুঁজ জমা, তীব্র ব্যথা, ফোলা ছড়িয়ে পড়া, নখ ভেঙে যাওয়া বা রং বদলানো হলে।
  • 📌 **শল্যচিকিৎসা**: শুধুমাত্র কিছু ক্ষেত্রে নখের অংশ কেটে ফেলা হয় (পারশিয়াল নেইল অ্যাভালশন)।
  • 📌 **প্রতিরোধ**: নখ কাটার সময় সাবধানতা, জুতা পরার সময় আঙুলের চাপ এড়ানো, আঘাত থেকে সুরক্ষা নেওয়া।

📰 বিস্তারিত

পায়ের নখের কোনা দেবে গেলে স্বাভাবিক চলাফেরা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালের কনসালট্যান্ট সার্জন ডা. রেজা আহমদ বলেছেন, এই সমস্যার প্রধান কারণ হলো নখ কাটার সময় গভীরভাবে কাটা বা কোনা গোলাকার করা। এভাবে কাটা নখ পরবর্তীতে পায়ের নরম অংশের ভেতর দেবে যেতে পারে। পায়ের আঘাত, জুতা চেপে পড়া বা সংক্রমণও এই সমস্যার কারণ হতে পারে।

ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ঘাম বা পায়ের সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পায়ের আঙুলের পরিচর্যা না করা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। নখ দেবে গেলে সাধারণত বুড়ো আঙুল আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত আঙুলে ব্যথা, ফোলা, লালচে হওয়া, পুঁজ জমা বা নখের রং বদলানো লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে লবণযুক্ত উষ্ণ পানিতে পা ডুবিয়ে রাখা উপকারী। প্রতি বেলায় ১০-১৫ মিনিট করে এই চিকিৎসা নিলে উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে পুঁজ জমা, তীব্র ব্যথা বা ফোলা ছড়িয়ে পড়লে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

ঘরোয়া পদ্ধতি হিসেবে ‘পটাশ’ বা বেগুন ব্যবহার করা প্রচলিত হলেও এসবের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বিশেষ করে ‘পটাশ’ ব্যবহার করলে ত্বক জ্বালা বা রাসায়নিক পোড়া হতে পারে। বেগুন ব্যবহার করলে সংক্রমিত জায়গা আবদ্ধ হয়ে যেতে পারে, যা চিকিৎসাকে কঠিন করে তুলতে পারে।

"নখ দেবে গেলে অনেকে নানা ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করেন। কিন্তু এসবের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। বিশেষ করে ‘পটাশ’ বা বেগুন ব্যবহার করলে বিপদ হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. রেজা আহমদ (সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতাল)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০-১৫ মিনিট (লবণযুক্ত পানিতে পা ডুবিয়ে রাখার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖