📌 ডায়াবেটিসের রোগীরা খাবারের পরিমাণ কমিয়ে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে খাওয়ার সঠিক ধারাবাহিকতা বা ফুড সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে ৭৫% পর্যন্ত কমাতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সালাদ, শাকসবজি থেকে শুরু করে মাছ-মাংস, ডিম-ডাল এবং শেষে শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ করলে ব্লাড সুগার স্পাইক কমে যায়
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাবারের পরিমাণ কমিয়ে নেওয়া সবসময়ই সহজ নয়। কিন্তু খাওয়ার সঠিক ধারাবাহিকতা বা ফুড সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্র ‘ডায়াবেটিস কেয়ার’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, খাবারের পরিমাণ কমিয়ে নেওয়ার চেয়ে খাওয়ার সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে ব্লাড সুগার স্পাইক ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাবারের সঠিক ধারাবাহিকতা বা ফুড সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব
- 📌 খাবার খাওয়ার শুরুতে তাজা সালাদ, শাকসবজি গ্রহণ করলে পাকস্থলীতে আঁশের জাল তৈরি হয়, যা শর্করার ধীরে ধীরে শোষণে সাহায্য করে
- 📌 মাছ, মাংস, ডিম, ডাল বা পনিরের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে জিএলপি-১ হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে, যা দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে
- 📌 শর্করাজাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুটি, আলু বা মিষ্টিজাতীয় খাবার সর্বশেষ খাওয়া উচিত, কারণ খালি পেটে শর্করা খেলে তা দ্রুত রক্তে মিশে যায়
📰 বিস্তারিত
আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন গবেষণা থেকে জানা যায়, খাবারের সঠিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে ডায়াবেটিস রোগীদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার খাওয়ার শুরুতে তাজা সালাদ, শাকসবজি গ্রহণ করলে পাকস্থলীতে দ্রবণীয় আঁশের জাল তৈরি হয়। এই জালটি পরবর্তী সময়ে খাওয়া খাবারের শর্করাকে ধীরে ধীরে শোষণ করতে সাহায্য করে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ে, যা ব্লাড সুগার স্পাইক কমায়।
সবজির পর মাছ, মাংস, ডিম, ডাল বা পনিরের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে তা ধীরে পরিপাক হয়। ফলে রক্তে সরাসরি সুগার বাড়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পাশাপাশি, এই খাবারগুলো জিএলপি-১ হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
শর্করাজাতীয় খাবার যেমন ভাত, রুটি, আলু বা মিষ্টিজাতীয় খাবার সর্বশেষ খাওয়া উচিত। কারণ, খালি পেটে শর্করা খেলে তা দ্রুত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে রক্তে মিশে যায়। কিন্তু আঁশ ও প্রোটিনের পর ভাত খেলে ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না।
"খাবারের পরিমাণ কমানোর চেয়ে খাওয়ার সঠিক ধারাবাহিকতা বা ফুড সিকোয়েন্সিং-এর মাধ্যমে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক গবেষণা (ডায়াবেটিস কেয়ার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!