📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এক পরিচয়পত্রে একত্রিত হবে সব সরকারি কার্ড: বাংলাদেশের 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি' প্রকল্পের গভীর বিশ্লেষণ

এক পরিচয়পত্রে একত্রিত হবে সব সরকারি কার্ড: বাংলাদেশের 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি' প্রকল্পের গভীর বিশ্লেষণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে সরকারি সহায়তা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন কার্ডের ব্যবহার থেকে শুরু করে একক ডিজিটাল পরিচয়পত্র ('ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি') চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে রেশন কার্ড, ভিজিএফ, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ডের ইতিহাস এবং এখনকার একক পরিচয়পত্রের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষিত হয়েছে

বাংলাদেশে সরকারি সহায়তা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্ডের ব্যবহার থেকে শুরু করে একক ডিজিটাল পরিচয়পত্রের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি' বা এক-আইডি প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার একটি স্থায়ী ডিজিটাল পরিচয়পত্র চালু করার পরিকল্পনা করছে, যা জন্মের পর থেকেই একজন নাগরিককে দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবায় সারা জীবন একই পরিচয় ব্যবহারের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে কার্ডনির্ভর সরকারি সহায়তার দীর্ঘ ইতিহাস।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ব্রিটিশ আমলে ১৯৪৩ সালে শুরু হয় রেশন কার্ডের ইতিহাস, যা স্বাধীন বাংলাদেশেও অব্যাহত ছিল।
  • 📌 রেশন কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষ কম দামে খাদ্যশস্য পেতেন, কিন্তু অনিয়মের অভিযোগ ছিল।
  • 📌 ১৯৯০-এর দশকে রেশনব্যবস্থা সংকুচিত হলেও দরিদ্রদের জন্য চালু হয় ভিজিএফ, ভিজিডি, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ড।
  • 📌 বর্তমানে সরকার 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি' প্রকল্পের মাধ্যমে একক পরিচয়পত্র চালু করার পরিকল্পনা করছে।
  • 📌 তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের 'ডি-স্টার' প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে সরকারি সহায়তা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্ডের ব্যবহার শুরু হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের সময় শহরাঞ্চলে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে ব্রিটিশ সরকার। এই ব্যবস্থা পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশেও অব্যাহত ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে রেশনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল স্ট্যাচুটরি রেশনিং বা বিধিবদ্ধ রেশনিং (এসআর)। রেশন কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষ কম দামে চাল, গমসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য কিনতে পারতেন। তবে সময়ের সঙ্গে এই ব্যবস্থায় নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, যেমন খাদ্যশস্যের অপচয়, ভুয়া বিতরণ ও কালোবাজারে বিক্রি।

১৯৯০-এর দশকে রেশনব্যবস্থা সংকুচিত হলেও দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়ার জন্য চালু হয় ভিজিএফ, ভিজিডি, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ড। উদ্দেশ্য ছিল নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে তাদের কাছে খাদ্য, অর্থ বা অন্য কোনো সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তবে একেক কর্মসূচির জন্য আলাদা আলাদা কার্ডের ব্যবস্থা ছিল।

বর্তমানে সরকার 'ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি' বা এক-আইডি প্রকল্পের মাধ্যমে একক পরিচয়পত্র চালু করার পরিকল্পনা করছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের 'ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাকসেস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স' (ডি-স্টার) প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একজন নাগরিকের জন্মের পর থেকেই একটি স্থায়ী ডিজিটাল পরিচয় দেওয়া হবে, যা সারা জীবন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবায় ব্যবহৃত হবে।

"এই প্রকল্পের মাধ্যমে একজন নাগরিকের জন্মের পর থেকেই একটি স্থায়ী ডিজিটাল পরিচয় দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবায় সারা জীবন একই পরিচয় ব্যবহারের কথাও ভাবা হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশেষত ঢাকা, জেলা প্রশাসন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাগরিক, সরকারি কর্মকর্তা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬-২০৩১ (ডি-স্টার প্রকল্পের মেয়াদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖