📌 অসদাচরণ, দুর্নীতি ও অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির অভিযোগে পুলিশ বিভাগ থেকে তিন কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে পরিচালিত তদন্তে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে জারি করা তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের তিন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল বুধবার জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। অপসারণ হওয়া কর্মকর্তারা হলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালাল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অসদাচরণ, দুর্নীতি ও অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বরখাস্ত করা হয়েছে
- 📌 কর্মকর্তা তিনজন হলেন মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, মো. রাশেদুল ইসলাম ও মো. হাবিবুল্লাহ দালাল
- 📌 রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি
- 📌 হাবিবুল্লাহ দালাল ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী স্ত্রীর কাছে চলে যান এবং তাঁর অননুমোদিত অনুপস্থিতিকাল ছিল ৬০ দিনের বেশি
- 📌 রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে জারি করা তিনটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের তিন কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। অপসারণ হওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, দুর্নীতি ও অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ আনা হয়।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তিনি কোনো জবাব দেননি। পরবর্তীতে সরকারি কর্মকমিশন তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণের পক্ষে মত দেয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়।
পুলিশ স্টাফ কলেজের এএসপি মো. হাবিবুল্লাহ দালাল ২০২৫ সালের ২২ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ভোগের পর ২৬ জানুয়ারি কর্মস্থলে যোগ দেননি। সরকারি অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তিনি অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী স্ত্রীর কাছে চলে যান। তাঁর অননুমোদিত অনুপস্থিতিকাল ছিল ৬০ দিনের বেশি। তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে পিএসসি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মত দেয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। অননুমোদিত অনুপস্থিতি ৬০ দিনের বেশি হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। মামলায় অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি কোনো জবাব না দেওয়ায় পরবর্তীতে পিএসসি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের পক্ষে মত দেয়। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ৯ মার্চ থেকে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
"অসদাচরণ, দুর্নীতি ও অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে চাকরি থেকে অপসারণ ও বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মহানগর, বরিশাল মেট্রোপলিটন, পুলিশ স্টাফ কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান, মো. রাশেদুল ইসলাম, মো. হাবিবুল্লাহ দালাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন কর্মকর্তা, ৬০ দিন, ২টি শাখা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!