📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুলশানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু সৌরবিদ্যুতের যাত্রা: সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও আওতায় আসবে সৌরশক্তি

গুলশানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে শুরু সৌরবিদ্যুতের যাত্রা: সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও আওতায় আসবে সৌরশক্তি

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে ১ অক্টোবর থেকে সৌরবিদ্যুত চালু হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও ধাপে ধাপে সৌরশক্তির আওতায় আসার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা স্থাপনে ২০ বছরের চুক্তি ও বিনামূল্যে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে আগামী ১ অক্টোবর থেকে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও ধাপে ধাপে সৌরশক্তির আওতায় আসার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) আয়োজিত আলোচনা সভায় এই তথ্য জানান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১ অক্টোবর** থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে সৌরবিদ্যুত চালু হবে
  • 📌 **সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে** ইতিমধ্যে সৌর প্যানেল স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে
  • 📌 **২০ বছরের চুক্তি**ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনামূল্যে রক্ষণাবেক্ষণ দেবে
  • 📌 **নেট মিটারিং** ব্যবস্থায় অতিরিক্ত উৎপাদিত বিদ্যুত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ থাকবে
  • 📌 **জেলা সফরের সময়** সরকারি প্রধান কার্যালয় ও রেস্ট হাউসগুলোরও সৌরবিদ্যুতের আওতায় আসবে

📰 বিস্তারিত

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ চালুর পরপরই অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোও ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে। তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেন যে, তাদের নিজস্ব কার্যালয় এবং অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোরও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সৌরবিদ্যুতের ব্যয় নির্ধারণের একটি কাঠামো রয়েছে। সক্ষমতার উপর নির্ভর করে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা স্থাপনের সর্বোচ্চ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও, দুই থেকে চার ঘণ্টার ব্যাকআপের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাটারির খরচও বিবেচনা করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ২০ বছরের চুক্তি করা হবে। এই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলো পুরো ২০ বছর বিনামূল্যে রক্ষণাবেক্ষণ সেবা দেবে। ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি বা সমস্যা দেখা দিলে প্রতিষ্ঠানগুলো তা দ্রুত সমাধান করবে। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনা মূল্যে নেট মিটারিংয়ের ব্যবস্থা করে দেবে। সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

"সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনা মূল্যে নেট মিটারিংয়ের ব্যবস্থাও করে দেবে। সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (আগারগাঁও, গুলশান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖