📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি: পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষ ইউনিটের কার্যক্রম শুরু

র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি: পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষ ইউনিটের কার্যক্রম শুরু

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি (স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন) নামে নতুন বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। পুলিশের অধীনে এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদল ও মানবাধিকার সংগঠনদের সমালোচনার মুখে নতুন ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে

র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি (স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন) নামে নতুন বিশেষ ইউনিট গঠন করে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার গেজেট প্রকাশের পরদিনই এসআরবি নামে কার্যক্রম শুরু করেছে। পুরাতন কাঠামো ও জনবল রেখে শুধু নাম পরিবর্তন করে নতুন ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি — পুলিশের অধীনে নতুন বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
  • 📌 ১০ সেপ্টেম্বর সংসদে পাস হয় নতুন আইন, গেজেট প্রকাশের পরদিন কার্যক্রম শুরু।
  • 📌 র্যাবের জনবল, সম্পদ ও ক্ষমতা এসআরবিতে স্থানান্তরিত হয়েছে।
  • 📌 ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এসআরবিকে।
  • 📌 নাগরিক ও সদস্যদের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠন করা হয়েছে।
  • 📌 বিরোধীদল ও মানবাধিকার সংগঠন নতুন ইউনিটের গঠনকে ‘সাইনবোর্ড বদল’ বলে সমালোচনা করছে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালে র‌্যাব ও কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে।

📰 বিস্তারিত

র্যাবের সব ইউনিট এসআরবি নামে কার্যক্রম শুরু করেছে। জনবল, ক্ষমতা, সম্পদসহ র্যাবের প্রায় সবকিছু এসআরবিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। লোগো পরিবর্তনসহ ফেসবুক পেজগুলোর নামও এসআরবি করা হয়েছে। নতুন আইনে র‌্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে এসআরবি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে র্যাবের কাঠামো, জনবল ও ক্ষমতা এসআরবিতে বহাল রাখা হয়েছে।

এসআরবিকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ রাখার বিধানও রয়েছে। নাগরিকদের অভিযোগ এবং সদস্যদের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হবে ইউনিটেরই একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক।

র্যাবের কাঠামো নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচনার জায়গা ছিল সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহার। মানবাধিকারকর্মীদের পক্ষ থেকে নতুন কোনো বিশেষায়িত বাহিনী গঠনের সময় শুধু প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে নতুন আইনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের এসআরবিতে নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

"র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি ছিল; সেটি বিলুপ্ত করে একই ধরনের আরেকটি বাহিনী গঠনের দাবি ছিল না।"

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছিলেন। তিনি বিশেষায়িত এমন একটি বাহিনীর প্রয়োজন কেন, তার যৌক্তিকতা আরও স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জবাবে বলেছিলেন, বিএনপির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী র‌্যাব বিলুপ্ত করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, র্যাবের সঙ্গে এসআরবির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে এসব সম্পদ স্থানান্তর করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি কার্যালয়, সংসদ, পুলিশ সদর দফতর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী), শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা), মহাপরিচালক (এসআরবি), মো. নূর খান (মানবাধিকারকর্মী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর (সংসদে আইন পাস), ১০ ডিসেম্বর (২০২৪ সালে বিএনপির দাবি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖