📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বঙ্গভবনে হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আলোচনায় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সতর্কতা ও মাদ্রাসা সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি
বঙ্গভবনে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বিশিষ্ট ইসলামী ব্যক্তিবর্গের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯ অক্টোবর বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বাধীন আলেম ও ইসলামী ব্যক্তিবর্গের প্রতিনিধিদল
- 📌 সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আলেম-ওলামাদের ওপর নির্যাতনের স্মৃতি উল্লেখ করে বলেন, ‘দেশে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে আসতে দেবো না’
- 📌 রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পন্ডিতদের সম্মান করতেন’
- 📌 প্রতিনিধিদল চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মাদ্রাসা ও ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসা সফরের আমন্ত্রণ জানান
- 📌 রাষ্ট্রপতি মাদ্রাসা সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা অনুরোধ করেন ব্যবসা-বাণিজ্য ও অনুদান আনার জন্য
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতী হারুন ইজহার ও মাওলানা মীর ইদরীস নদভি; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা রফিকুল ইসলাম; জাতীয় ইমাম খতীব কাউন্সিলের কো-অর্ডিনেটর মাওলানা ফয়সাল, খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ।
রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন ও কারাগারে দুঃসহ বন্দিজীবনের বেদনা স্মরণ করে বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি।’ তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেনো দেশে কখনো ফিরে না আসে এবং ধর্মের নামে কেউ যেনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে - সে ব্যাপারে সবার সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।’
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামি পন্ডিত ও আলেম-ওলেমাদের খুব সম্মান করতেন। ইসলামের প্রতি মমতাবোধ থেকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিস্মিল্লাহির্-রাহ্মানির্-রহিম’ সংযোজন করেন। এছাড়া আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করেন।’
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রাচ্যের ধনী ও উন্নত দেশ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অনুদান সহায়তা আনার জন্য তাদের আরবী ভাষা ও যোগাযোগের পারদর্শিতা এবং ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ করেন। রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগের পরামর্শ দেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
"স্বৈরাচারের পতনের পর মহান আল্লাহ আমাদের দেশ গড়ার যে সুযোগ দিয়েছেন আমরা যেনো ঐক্যবদ্ধভাবে তা কাজে লাগাতে পারি। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন আর যেনো দেশে কখনো ফিরে না আসে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাওলানা মুফতি বশিরুল্লাহ, মুফতী হারুন ইজহার, মাওলানা মীর ইদরীস নদভি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!