📌 মো. শাহজামান খান (ডিজি, প্রাণিসম্পদ) উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে নিজ পছন্দের কর্মকর্তাদের নাম পাঠানোর অভিযোগে জড়িত। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, মেধা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে নামের তালিকা পরিবর্তন করা হয়েছে
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শাহজামান খান বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডারের পদোন্নতি তালিকায় জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে নিজ পছন্দের জুনিয়র কর্মকর্তাদের নাম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন: ৩১তম বিসিএস ব্যাচের ৩৮ জন কর্মকর্তার নাম সুপারিশ করা হয়নি, বরং ৩৩তম ব্যাচের ৭ জনের নাম পাঠানো হয়েছে, যা ক্যাডার সার্ভিস নীতিমালার বিরুদ্ধে।
- 📌 নামের তালিকা পরিবর্তন: প্রথমে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তালিকায় একাধিকবার নাম কাটাছেঁড়া করা হয়, দুটি নাম বাদ দিয়ে দুটি নতুন নাম যুক্ত করা হয়।
- 📌 অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু: রফিকুল ইসলামের নাম প্রথম তালিকায় এক নম্বরে থাকার কথা ছিল, কিন্তু পরে তা বাদ দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর রাজনৈতিক ত্যাগের কারণে সুপারিশ করা হয়েছে।
- 📌 অধিদপ্তরের প্রতিক্রিয়া: ডিজি মো. শাহজামান খান বলেছেন, নিয়ম মেনে তালিকা পাঠানো হয়েছে এবং নাম পরিবর্তনের বিষয়ে তাঁর জানা নেই।
📰 বিস্তারিত
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে উপসচিব পদে পদোন্নতির জন্য গত ১ অক্টোবর ১০ জন কর্মকর্তার নামের তালিকা পাঠানো হয়। তবে অভিযোগকারীরা জানান, প্রথমে পাঠানো তালিকায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নাম ছিল, পরে তা পরিবর্তন করে জুনিয়র কর্মকর্তাদের নাম যুক্ত করা হয়। একটি নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বলেন, “অধিদপ্তরের কর্তারা নিজেদের খেয়ালখুশিমতো নাম পরিবর্তন করেছেন।”
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৩০তম বিসিএস ব্যাচের ১৮০ জন কর্মকর্তার মধ্যে তিনজন ও ৩৩তম ব্যাচের ১৭০ জন কর্মকর্তার মধ্যে সাতজনকে সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু ৩১তম ব্যাচের ৩৮ জন কর্মকর্তার কারও নাম সুপারিশ করা হয়নি। অধিদপ্তর সূত্র বলেছে, বর্তমানে ৩০ ও ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তারা ষষ্ঠ গ্রেডে কর্মরত থাকায়, ৩৩তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের পঞ্চম গ্রেডে সুপারিশ করা ক্যাডার সার্ভিস নীতিমালার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিজি মো. শাহজামান খান বলেন, “ডিএস পুলের বিষয়ে নিয়ম মেনে যথাসময়ে ১০ জনের নামের তালিকা প্রস্তাবনা আকারে পাঠিয়েছি। নাম পরিবর্তনের বিষয়ে আমার জানা নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের বিষয়।”
"সব খবর পেয়েছি। অধিদপ্তরের কর্তারা নিজেদের খেয়ালখুশিমতো নাম পরিবর্তন করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহজামান খান (ডিজি, প্রাণিসম্পদ), রফিকুল ইসলাম, অভিযোগকারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন (পাঠানো কর্মকর্তা), ৩৮ জন (৩১তম ব্যাচের বাদ পড়া), ৭ জন (৩৩তম ব্যাচের সুপারিশ করা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!