📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঘোষণা করেছেন, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি, কারাগার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা এলাকায় দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অপহরণ ও অপরাধ বন্ধে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছেন, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি পুলিশ একাডেমি, কেন্দ্রীয় কারাগার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা এলাকায় দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অপহরণ ও অপরাধ বন্ধে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর (বিজিবি, এসআরবি, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 জঙ্গল সলিমপুরে কারাগারের জন্য ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
- 📌 এলাকার অবৈধ বসতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য পুনর্বাসন ও সুশাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 কক্সবাজারে রোহিঙ্গা এলাকায় দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অপহরণ ও অপরাধ বন্ধে।
- 📌 ক্যাম্প দুটি ১০ ডিভিশনের অধীনে পরিচালিত হবে।
- 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পুলিশের জন-আস্থা বহাল রাখা সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ সচিবালয়ে সলিমপুরের অবকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত সভায় বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে সারদা পুলিশ একাডেমির আদলে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। একই এলাকায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরিত করা হবে। তিনি জানান, জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে এবং এলাকায় সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণের কাজ ইসিবির নেতৃত্বে চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, এসআরবি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের স্থাপনা নির্মাণের জন্য জায়গা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকার অবৈধ বসতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য পুনর্বাসন ও সুশাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি জানান, জঙ্গল সলিমপুরকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য থেকে মুক্ত করে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা কমিটির দ্বিতীয় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও অপরাধ বন্ধে কক্সবাজারের নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালিতে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই ক্যাম্প দুটি ১০ ডিভিশনের অধীনে পরিচালিত হবে এবং এতে অপহরণ ও অপরাধ বন্ধে সহায়তা হবে।
"জন-আস্থা আমরা অর্জন করেছি। জন-আস্থাটা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি, সেটার বিচার করবে জনগণ। জন-আস্থা বহাল রাখা এবং আরও বেশি জন-আস্থা প্রতিষ্ঠা করাকে সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা এলাকা (নোয়াখালীপাড়া ও রঙ্গিখালি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ একর জমি, ১০ ডিভিশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!