📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, সরকার হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলবে খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত এলাকায়। এর মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন লক্ষ্যে এই প্রকল্প চালানো হবে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, সরকার হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলবে খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত এলাকায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দীর্ঘদিন অবহেলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন ঘটানো হবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড় এলাকায় এক পথসভায় তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হাজার শিল্পকারখানা গড়ার পরিকল্পনা**: প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত এলাকায় হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে।
- 📌 **কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন**: এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন লক্ষ্যে কাজ চলছে।
- 📌 **বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু**: নির্বাচনের আগে বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সরকার গঠন করতে পারলে দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে। এর অংশ হিসেবে বন্ধ হয়ে থাকা মিল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
- 📌 **বিনিয়োগকারীদের আহ্বান**: দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে উৎসাহিত করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
- 📌 **বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ**: প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ঢাকার কিছু এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দাবি-দাওয়া রয়েছে।
- 📌 **মজুরি বোর্ড গঠন**: সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। বোর্ড ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হবে।
- 📌 **শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের অভিযোগ**: প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক কারখানায় গিয়ে ভাঙচুর করছে এবং গাড়ি ও যন্ত্রপাতি ধ্বংস করছে।
- 📌 **গার্মেন্টস শিল্পের গুরুত্ব**: প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত প্রায় ৫০ বছরে দেশে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প গড়ে উঠেছে। এসব শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।
- 📌 **শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের বিরোধিতা**: প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিল-কারখানাগুলো দেশের সম্পদ এবং শ্রমিকদের সম্পদ। এসব কারখানা ধ্বংস হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শ্রমিকরা।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড় এলাকায় এক পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একসময় খুলনা একটি শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে বহু মিল-কারখানা ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে বিভিন্ন কারণে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমরা চাই বাগেরহাট, খুলনা, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা থেকে শুরু করে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে। এতে শুধু কর্মসংস্থানই হবে না; বছরের পর বছর অবহেলিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সমস্যা সমাধান, শিল্পের প্রসার এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে দিনরাত কাজ করছে। তবে গত কয়েক দিন ধরে ঢাকার কিছু এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে দাবি-দাওয়া রয়েছে। তিনি বলেন, কোনো শ্রমজীবী মানুষ নিজের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করতে পারেন না। কিন্তু বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখা গেছে, কিছু লোক কারখানায় গিয়ে ভাঙচুর করছে। গাড়ি ও যন্ত্রপাতি ধ্বংস করছে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত প্রায় ৫০ বছরে দেশে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প গড়ে উঠেছে। এসব শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। তিনি বলেন, একটি মহল নিজেদের স্বার্থে এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে চায়। যারা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল এবং দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছিল, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরও সীমান্তের ওপার থেকে কলকাঠি নাড়ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
"মিল-কারখানাগুলো দেশের সম্পদ, দেশের মানুষের সম্পদ এবং শ্রমিকদের সম্পদ। এসব কারখানা ধ্বংস হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমিকেরা। তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা, কাটাখালী মোড়, খুলনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, পঞ্চগড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর, ৫০ বছর, হাজার হাজার শিল্পকারখানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!