📌 সাংসদীয় প্রতিরক্ষা কমিটি আধুনিক সরঞ্জামে সশস্ত্র বাহিনীকে সজ্জিত করার পাশাপাশি মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে। বৈঠকে শহীদদের স্মরণ ও জুলাই আন্দোলনের আহতদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ৭১টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করার লক্ষ্যে সাংসদীয় প্রতিরক্ষা কমিটি আধুনিক সরঞ্জামে সশস্ত্র বাহিনীকে সজ্জিত করার পাশাপাশি মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদায়ন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আধুনিক সরঞ্জামের সুপারিশ: মান্ধাতার আমলের যন্ত্রপাতি থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে সজ্জিত করার সুপারিশ করা হয়।
- 📌 মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদায়ন: সশস্ত্র বাহিনীতে পদায়ন নিশ্চিত করার জন্য মেধা, দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তি নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
- 📌 সেনাবাহিনীর অবকাঠামোতে ‘সেভ এনার্জি’ পরিকল্পনা: নির্মাণাধীন অবকাঠামোতে ‘সেভ এনার্জি’ নিশ্চিত করে ‘সেভ মানি’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
- 📌 শহীদদের স্মরণ ও সমবেদনা: মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের, পার্বত্য চট্টগ্রামের নিহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিহতদের এবং জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতাকে স্মরণ করা হয়।
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে ৭১টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার: দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭১টি অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৫ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী এবং ১ জনের বয়স ও লিঙ্গ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে কমিটির সভাপতি মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাগত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। তিনি স্বাধীনতার পর সশস্ত্র বাহিনীর পুনর্গঠন, শৃঙ্খলা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা নীতির উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণে অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে নেওয়া পদক্ষেপের কথাও বৈঠকে আলোচিত হয়।
কমিটির সদস্যরা জনগণের পক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা একটি আধুনিক ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন ২৫টি দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের পরিচিতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে প্রাথমিক পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম সম্পর্কেও সংক্ষেপে অবহিত করা হয়।
"বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে। স্বাধীনতার পর সশস্ত্র বাহিনীর পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা অপরিসীম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, কেবিনেট কক্ষ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আশরাফ উদ্দিন (সভাপতি), তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী), শহীদ জিয়াউর রহমান (প্রেসিডেন্ট), বেগম খালেদা জিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি দপ্তর, ৭১টি অজ্ঞাতনামা লাশ (৫৫ পুরুষ, ১৫ নারী, ১ অজ্ঞাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!