📌 পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে দেখার পরিবর্তে একত্রে বিবেচনা করতে হবে — এ কথা বলেছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। রোমে অনুষ্ঠিত ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশের ওয়ান হেলথ নীতির অগ্রগতি তুলে ধরেন
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে পৃথকভাবে বিবেচনা করে সমাধান খোঁজা সম্ভব নয়। এ কথা বলেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, মানুষ, প্রাণী, উদ্ভিদ ও বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে গভীর সংযোগ থাকায় পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে কার্যকর সমাধান পাওয়া যাবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১-২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত ‘কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রম’ সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বক্তব্য দেন।
- 📌 বাংলাদেশের গঙ্গা বদ্বীপে অবস্থিত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি থাকায় ওয়ান হেলথ নীতি প্রয়োজনীয় বলে মন্ত্রী দাবি করেন।
- 📌 ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ওয়ান হেলথকে শাসনব্যবস্থার নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং পরিবেশ খাতকে কেন্দ্রীয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- 📌 মন্ত্রী বলেন, জেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।
- 📌 রোমের সম্মেলনের অভিজ্ঞতা কপ৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরবে বাংলাদেশ এবং জলবায়ু ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে কাজ করবে।
📰 বিস্তারিত
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষিখাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা পরস্পর-সংযুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রের সম্মিলিত সুস্থতার ওপর নির্ভরশীল। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ ও নিম্নভূমির গঙ্গা বদ্বীপে অবস্থিত হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও পরিবেশ বিপর্যয়ের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। একই ভূদৃশ্যে মানুষ, বাস্তুতন্ত্র ও কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকায় একটি খাতে চাপ সৃষ্টি হলে তা দ্রুত অন্য খাতেও প্রভাব ফেলে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রায় দুই দশক ধরে ওয়ান হেলথকে শাসনব্যবস্থার নীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রকে কেন্দ্রীয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং জেলা ও প্রান্তিক পর্যায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে টেকসই সমন্বয় গড়ে তোলতে পরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জাতীয় ওয়ান হেলথ কাঠামোয় পরিবেশ খাতকে মূল অংশীজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবিত ওয়ান হেলথ তথ্যকেন্দ্র দেশগুলোর মধ্যে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য কপ৩১-এর আগে রোমের সম্মেলনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বাংলাদেশ রোমের আলোচনার অভিজ্ঞতা কপ৩১-এর আলোচনায় তুলে ধরবে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সমন্বিত বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে কাজ করবে।
"কৃষিখাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা পরস্পর-সংযুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রের সম্মিলিত সুস্থতার ওপর নির্ভর করে। একই ভূদৃশ্যে মানুষ, বাস্তুতন্ত্র ও কৃষিখাদ্য ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকায় একটি খাতে চাপ সৃষ্টি হলে তার প্রভাব দ্রুত অন্য খাতেও পড়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রোম (ইতালি), বাংলাদেশের গঙ্গা বদ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১-২৩ সেপ্টেম্বর (সম্মেলনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!