📌 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২৩টি নির্দেশনা জারি করেছে প্রশাসনকে শৃঙ্খলিত ও দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। এতে ডিজিটাল হাজিরা, দুর্নীতির অভিযোগে কর্মকর্তাদের চিহ্নিতকরণ, অপ্রয়োজনীয় পদ বিলুপ্তি এবং সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রশাসনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ২৩টি নির্দেশনা জারি করেছে। এ নির্দেশনাগুলোতে সরকারি দপ্তরে ডিজিটাল হাজিরা চালু, দুর্নীতির অভিযোগে কর্মকর্তাদের চিহ্নিতকরণ, পদোন্নতি ও বদলিতে তদবিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং অপ্রয়োজনীয় পদ বিলুপ্তির উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৩টি নির্দেশনা জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রশাসনকে শৃঙ্খলিত ও দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য
- 📌 ডিজিটাল হাজিরা চালু হবে সরকারি দপ্তরে, আইসিটি বিভাগ ড্যাশবোর্ড তৈরি করবে উপস্থিতি নজরদারি জন্য
- 📌 দুর্নীতির অভিযোগে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিতকরণ করতে প্রতিটি মন্ত্রণালয় অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করবে
- 📌 পদোন্নতি বা বদলিতে তদবিরের চেষ্টা করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তথ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিতে সংযুক্ত করা হবে
- 📌 অপ্রয়োজনীয় পদ বিলুপ্ত ও শূন্য পদ দ্রুত পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 গত ১৫ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে ২৩টি নির্দেশনা চূড়ান্ত করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ২৩টি নির্দেশনা প্রশাসনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে। এ নির্দেশনাগুলোতে সরকারি দপ্তরে ডিজিটাল হাজিরা চালু, দুর্নীতির অভিযোগে কর্মকর্তাদের চিহ্নিতকরণ, পদোন্নতি ও বদলিতে তদবিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং অপ্রয়োজনীয় পদ বিলুপ্তির উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলোর মধ্যে একটি হলো, সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত। আইসিটি বিভাগ একটি ড্যাশবোর্ড তৈরি করবে, যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
দুর্নীতির অভিযোগে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিতকরণের জন্য প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পদোন্নতি, বদলি বা চাকরির কোনো সুবিধা পেতে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার বা তদবিরের চেষ্টা করলে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদবিরের চেষ্টার বিস্তারিত তথ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথিতেও সংযুক্ত করা হবে।
অপ্রয়োজনীয় পদ বিলুপ্ত এবং বিদ্যমান শূন্য পদ দ্রুত পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাডার পদগুলোর সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করে সরকারি কর্মচারীদের পেশাগত পরিকল্পনা প্রণয়নের কথাও বলা হয়েছে। প্রতিটি দপ্তরের অর্গানোগ্রাম প্রতি তিন মাস অন্তর হালনাগাদ করা হবে।
"পদোন্নতি, বদলি বা চাকরির কোনো সুবিধা পেতে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার কিংবা তদবিরের চেষ্টা করলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" — মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩টি নির্দেশনা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সালের বিধিমালা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!