📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গঙ্গা চুক্তি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর আগেই শেষ, পানিসম্পদমন্ত্রী আশাবাদী; পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: হুমায়ুন কবির হুমায়ুন কবির
গঙ্গা চুক্তি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর আগেই শেষ, পানিসম্পদমন্ত্রী আশাবাদী; পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী জানান, গঙ্গা চুক্তি ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর আগেই সম্পন্ন হবে এবং ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনা হবে। পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পের কাজ আগামী জানুয়ারি-মার্চে দৃশ্যমান হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন তিনি

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী আশাবাদ প্রকাশ করেছেন যে, গঙ্গা চুক্তি ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর আগেই সম্পন্ন হবে। তিনি বলেছেন, নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়াও তিনি জানান, পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা প্রকল্পের কাজ আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে দৃশ্যমান হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গঙ্গা চুক্তি ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর আগেই সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী
  • 📌 নতুন চুক্তিতে ফিরিয়ে আনা হবে ১৯৭৭ সালের মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’
  • 📌 পদ্মা ব্যারাজের কাজ আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে দৃশ্যমান হবে
  • 📌 তিস্তা বহুমুখী প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষে ২০২৭ সালে মূল কাজ শুরু হবে
  • 📌 ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছে বাংলাদেশের পানিবণ্টন কমিটি

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার ঢাকার রাজধানীতে ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনারের শেষে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গঙ্গা চুক্তি সম্পর্কে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস-বিস) আয়োজিত এই সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি জানান, গঙ্গা চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে কাজ চলছে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের জন্য মন্ত্রী জানান, একনেকের মাধ্যমে কাজের অনুমোদন পেয়েছে। তিনি বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য মাস্টারমাইন্ড প্রকল্প। এতে দেশের মোট অঞ্চলের তিন ভাগের এক ভাগ মানুষের সুফল পাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান করার জন্য আমরা আশা করছি, আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে কাজ শুরু হবে।’

তিস্তা প্রকল্পের ক্ষেত্রে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি একটি খরস্রোতা নদী। ভারত থেকে উজানের পানি ভাটি এলাকায় আসার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে ওই অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জীবনধারণ করছে। আমরা বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে দায়িত্ব দিয়েছি। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা নিয়ে কাজ চলছে।’ তিনি জানান, ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষে ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গঙ্গা চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘১২ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের আগেই নতুন চুক্তি সম্পন্ন হবে। ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে ছিল ‘গ্যারান্টি ক্লজ’, যা ১৯৯৬ সালে বাদ দেওয়া হয়েছিল। আমরা সেই ক্লজ ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছি।’

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের সমীক্ষা ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় লেগেছিল, কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি। মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে কাজ শুরু করেছি। তিস্তা প্রকল্পের মতো বৃহদায়তন প্রকল্পের সমীক্ষা রাতারাতি সম্ভব নয়। অতীতে কারিগরি সহায়তা না পাওয়ায় কাজ বন্ধ ছিল। এবার আমরা নিজ উদ্যোগে কাজ সম্পন্ন করব।’

"পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রজেক্ট এবং বাংলাদেশের জন্য মাস্টারমাইন্ড প্রজেক্ট। যেখানে বাংলাদেশের মোট অঞ্চলের তিন ভাগের এক ভাগ মানুষ এর সুফল পাবে।"

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশ পানিবণ্টনে সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক আইনের অবস্থান রয়েছে। পানি ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ প্রয়োজন। আমরা একটি কমিটি গঠন করেছে এবং ভারতের প্রতিনিধিদের নাম চাওয়া হয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ ডিসেম্বর ২০২৬, ৩০ বছর, ২০২৭

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖