📌 খাদ্য মন্ত্রণালয় ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করছে। জাতীয় সংসদ কমিটির বৈঠকে স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার কথা জানানো হয়। এছাড়াও, খাদ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণ ও ৬ হাজার ৬৫৩টি শূন্য পদ পূরণের বিষয় আলোচিত হয়
খাদ্য মন্ত্রণালয় ওএমএস (খোলাবাজার বিক্রি) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এই নীতিমালা কার্যকর হলে ডিলার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এই বিষয়টি আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ হাজার ৬৫৩টি শূন্য পদ পূরণের জন্য আউটসোর্সিং বন্ধ করে দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া চালু করার সুপারিশ করা হয়।
- 📌 ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে খাদ্য সরবরাহের উপকারভোগী নির্ধারণে ত্রুটি রোধের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
- 📌 নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে শক্তিশালী করার জন্য মোবাইল ল্যাব ও ভ্যান সরবরাহের কাজ চলমান রয়েছে।
- 📌 ১৯৭৫ সালের ২৩ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- 📌 খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এই নীতিমালা হলে ডিলার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম পিন্টু বলেন, ‘জনগণের কাছে নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাদ্য পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।’ তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
বৈঠকে খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উপকারভোগী নির্ধারণে ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কমিটির সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোতে ৬ হাজার ৬৫৩টি পদ শূন্য রয়েছে। কমিটি আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ বন্ধ করে দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণের সুপারিশ করে।
বৈঠকে খাদ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, শিশুখাদ্যসহ সব ধরনের খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে মাঠপর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে সক্ষম করার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তাসহ শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।
বৈঠকে অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কৃষিজমি সংরক্ষণ ও অকৃষিকাজে কৃষিজমির অননুমোদিত ব্যবহার রোধে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
"জনগণের কাছে নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাদ্য পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুস সালাম পিন্টু (সভাপতি), আফরোজা খানম (খাদ্যমন্ত্রী), আব্দুল বারী (প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার ৬৫৩টি শূন্য পদ, ২৩ এপ্রিল ১৯৭৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!