📌 প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে পুলিশের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। তিনি ঘোষণা দেন, নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও রিয়েল-টাইম মনিটরিং নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচন কমিশন আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে পুলিশের ১১৪টি ভেন্যুতে ৩৯ হাজার পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করবে
৯ সেপ্টেম্বর, ঢাকা: স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুলিশের সম্পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন পুলিশের সার্বিক সহায়তা চেয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনানুগভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিইসি নাসির উদ্দিন ঘোষণা দেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে এবং আইজিপি নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
- 📌 নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা, বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং নিশ্চিত করা হবে।
- 📌 ১০ মাস থেকে এক বছরের পরিবর্তে নির্বাচন সময়কাল কমিয়ে আনা হবে, তবে ধাপে ধাপে নির্বাচন পরিচালনা করা হবে।
- 📌 ১৬ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ১১৪টি ভেন্যুতে ৩৯ হাজার পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
- 📌 ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং স্থানীয় নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হবে না।
📰 বিস্তারিত
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন আমরা সুন্দরভাবে পরিচালনা করেছি, একইভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনও একটি গ্রহণযোগ্য মাপকাঠিতে আনা হবে।’ তিনি পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আইজিপি আমাকে কথা দিয়েছেন যে, তারা একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে যথাযথভাবে কাজ করবেন।’
নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সিসি ক্যামেরা, বডি ওর্ন ক্যামেরা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। নির্বাচনের সময় মাঠের পরিস্থিতি রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং করা হবে, যাতে কোনো সমস্যা হলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি।’
তিনি আরও জানান, অতীতে সারাদেশের স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতো। এবার ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া বাকি সব ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাই সবগুলো নির্বাচন ধাপে ধাপে পরিচালনা করা হবে। তবে কমিশন এই সময় আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা করবে। সার্বিক প্রস্তুতি শেষে খুব শিগগিরই উপযুক্ত সময়ে নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।
সিইসি বলেন, ‘আমাদের সিভিল প্রশাসন এবং পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও মানুষের আস্থার সংকট বর্তমানে দূর হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হবে না। তফসিল ঘোষণার পর আইন অনুযায়ী যোগ্য ব্যক্তিরাই মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
“আমরা সিসি ক্যামেরা, বডি ওর্ন ক্যামেরা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। নির্বাচনের সময় মাঠের পরিস্থিতি রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং করা হবে, যাতে কোথাও কোনো সমস্যা হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়াম, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ সেপ্টেম্বর, ১৬ নভেম্বর, ১১৪টি ভেন্যু, ৩৯ হাজার পুলিশ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!