📌 বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের পরীক্ষা ব্যাহত না হওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ পুনর্বিবেচনা করছে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও বার্ষিক পরীক্ষায় বিঘ্ন এড়াতে নির্বাচন সময়সূচি সামনে নিয়ে আসার কথা ভাবা হচ্ছে। সরকারের চাপের কথা নাকচ করে তিনি বলেছেন, বাস্তবতা ও আইনি দিক বিবেচনায় কাজ করা হচ্ছে
বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুনভাবে চিন্তা করছে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও বার্ষিক পরীক্ষায় বিঘ্ন এড়াতে নির্বাচন সময়সূচি সামনে নিয়ে আসার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি সরকারের চাপের কথা নাকচ করে বলেছেন, বাস্তব পরিস্থিতি ও আইনি দিক বিবেচনায় কাজ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষায় বিঘ্ন এড়াতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ পুনর্বিবেচনা করছে।
- 📌 নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের পরীক্ষা ব্যাহত না হওয়ার জন্য নির্বাচন সময়সূচি সামনে নিয়ে আসার কথা ভাবা হচ্ছে।
- 📌 সরকারের চাপের কথা নাকচ করে তিনি বলেছেন, ‘মোটেই না। বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন এড়াতে সময়সূচি সামনে নিয়ে আসার কথা বলছি।’
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সরকার ইউপি নির্বাচন সম্ভব নয় বলে ইসিকে জানায়। এরপর ইসি সম্ভাব্য তারিখ থেকে সরে আসে।
- 📌 নির্বাচন কমিশন জানুয়ারি মাসে নির্বাচন শুরু করার সম্ভাবনা দেখিয়েছেন। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই তা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।
- 📌 বন্যায় উচ্চমাধ্যমিকের কিছু পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাড়তি চাপ পড়েছে বলে উল্লেখ করেছেন নির্বাচন কমিশনার।
- 📌 নির্বাচন কমিশন সরকারের সাথে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের কোনো নথিপত্র পাননি বলে জানান। তবে তথ্য আদান-প্রদান হবে বলে জানান তিনি।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, সংবিধান ও আইনের ভেতরে থেকে কাজ করার পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে পাবলিক পরীক্ষা ব্যাহত না হওয়া এবং শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা পরবর্তী সময়ে নির্বাচন আয়োজনের কথা ভাবছি।”
১৭ সেপ্টেম্বর আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সরকার ইসিকে জানায়, চলতি বছরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্ভব নয়। এরপর ইসি সম্ভাব্য তারিখ থেকে সরে আসে। নির্বাচন কমিশনার জানান, “আমরা সম্ভাব্য একটি তারিখ ঘোষণা করেছিলাম। পরে দেখা গেল, ১২ তারিখের পরই প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। বন্যায় উচ্চমাধ্যমিকের কিছু পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাড়তি চাপ পড়েছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় ডিসেম্বরের বিষয়টিও আরও নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করেছে ইসি।”
অনেক বিষয় বিবেচনা করে ইসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমরা আইনের ভেতরে থেকে সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছি। নির্বাচন তো হতেই হবে, ইনশাআল্লাহ। আমরা সময়ের প্রেক্ষিতে এবং পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাজ করছি।”
সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “চিঠি, টেলিফোনে কথাবার্তা বা সামনাসামনি বিভিন্নভাবে যোগাযোগ হতে পারে। তবে নথিপত্র পরীক্ষা করে নির্বাচনের তারিখ বা সুবিধাজনক সময় নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে জানিয়েছে, এমন কোনো পত্র যোগাযোগের নজির পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পরই ইসি ভোটের উদ্যোগ নেবে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের চিঠি চালাচালির কোনো রেওয়াজ আমি দেখেননি। তবে তথ্য আদান-প্রদান হবে বলে জানিয়েছি।’
"মোটেই না। বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা লাখ লাখ ছাত্রছাত্রীর লেখাপড়ায় যাতে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়, সেই দিক বিবেচনায় রেখেই আমরা সম্ভাব্য তারিখ কিছুটা সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নির্বাচন কমিশন ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১২ তারিখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!