📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে জানুয়ারি মাসে পেশ করা হবে এবং কিছু বিশেষ বিষয়ে গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকবে। বিশেষ কমিটি ডিসেম্বরেই প্রতিবেদন পেশ করবে এবং বিরোধী দলের সদস্যদের অংশগ্রহণের জন্য পুনরায় আহ্বান জানানো হবে
সংবিধান সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে আলোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধান সংশোধনী বিল জাতীয় সংসদে জানুয়ারি মাসের প্রথম অধিবেশনে উঠতে পারে। তিনি বলেছেন, সংবিধানের ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ কিছু বিশেষ বিষয়ে সংসদে পরিবর্তন আনা হলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জানুয়ারি মাসে সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল পেশের সম্ভাবনা — বিশেষ কমিটি ডিসেম্বরেই প্রতিবেদন পেশ করবে, আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিল সংসদে উঠবে
- 📌 গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা — ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদসহ কিছু বিশেষ বিষয়ে পরিবর্তন আনা হলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 বিরোধী দলের সদস্যদের পুনরায় আহ্বান — গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা প্রধান বিরোধী দলের পাঁচজন সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জোর পরামর্শ দেন
- 📌 জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহারের প্রস্তাবও বিবেচনা করা হবে
- 📌 গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের প্রস্তাব — রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমাবদ্ধকরণ, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের পদ পৃথককরণ, সুপ্রিম কোর্টের বিকেন্দ্রীকরণ ও ‘ন্যায়পাল’ পদ বাস্তবায়নের তাগিদ
📰 বিস্তারিত
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির সঙ্গে গণমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংশোধনী বিলের পাশের পর গণভোটের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকবে। তিনি জানান, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে থাকা গণভোটের বিধানটি পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর উচ্চ আদালতের আদেশে ১৪৮ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল হওয়ায় গণভোটের বিষয়টি সংবিধানে ফিরে এসেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সম্পাদকদের অনেকেই প্রস্তাব দিয়েছেন, বিরোধী দলের সদস্যদের এই কমিটিতে অংশগ্রহণের জন্য পুনরায় আহ্বান জানানো উচিত। আমরা এতে সম্পূর্ণ একমত। সংসদ চলাকালে এবং এখনো তাদের আহ্বান জানাচ্ছি। তারা যেকোনো সময় এলেই আমরা স্বাগত জানাব।’ তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহারের প্রস্তাবও বিবেচনা করা হবে।
বৈঠকে উপস্থিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা প্রধান বিরোধী দলের পাঁচজন সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার জোর পরামর্শ দেন। তারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমাবদ্ধকরণ, প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের পদ পৃথককরণ, সুপ্রিম কোর্টের বিকেন্দ্রীকরণ এবং ‘ন্যায়পাল’ পদ বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং সাকিলা ফারজানা ও মো. মাহমুদুল হক রুবেল। গণমাধ্যমের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, নিউ এজের সম্পাদক নূরুল কবীর, সমকালের সম্পাদক শাহেদ মো. আলী, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, ডেইলি ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমাদ, সাবেক গণমাধ্যম কমিশনের প্রধান কামাল হোসেন, বিপিজেএ সভাপতি হারুন জামিল ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথোসহ ২৬ জন সাংবাদিক প্রতিনিধি।
"সম্পাদকদের অনেকেই প্রস্তাব দিয়েছেন, বিরোধী দলের সদস্যদের এই কমিটিতে অংশগ্রহণের জন্য পুনরায় আহ্বান জানানো উচিত, যাতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রস্তাবগুলো প্রণয়ন করা যায়। আমরা এতে সম্পূর্ণ একমত। সংসদ চলাকালে এবং এখনো তাদের আহ্বান জানাচ্ছি। তারা যেকোনো সময় এলেই আমরা স্বাগত জানাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ জন সাংবাদিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন, বৈঠককাল ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট
- 📜 উল্লেখযোগ্য অনুচ্ছেদ: ১৪২, ১৪৮, ৪৮ ও ৫৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!