📌 ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে সার বিতরণ ব্যবস্থাপনা ও ডিলার নিয়োগে সুপারিশ করা হয়। সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, সার সংকট দ্রুত নিরসিত হয়েছে এবং সার কারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে কাজ করলে রফতানি সম্ভব হবে। লালমনিরহাট, বরগুনা সহ ৬ জেলার ডিলার নিয়োগে অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন। বৈঠকে প্রথমেই প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। এরপর কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রথম বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সার সংকট নিরসিত**: সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, সার বিতরণ ব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট দ্রুত নিরসিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
- 📌 **রফতানি সম্ভাবনা**: সার কারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন করলে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সার রফতানির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
- 📌 **ডিলার নিয়োগে সুপারিশ**: লালমনিরহাট, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, নওগাঁ ও যশোর জেলার ডিলারশিপ নিয়োগে অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন চুক্তি স্থগিত রাখতে হবে।
- 📌 **৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি**: মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে আহ্বায়ক করে মো. রোকন উদ্দীন বাবুল ও মোছা. সাবিরা সুলতানাকে সদস্য করে সার বিতরণ, মজুত ও অনিয়ম চিহ্নিতকরণের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- 📌 **মন্ত্রী ও সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ**: কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ও মো. গোলাম রছুল বৈঠকে অংশ নেন।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন জানান, সার বিতরণ ব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের ফলে নিরসিত হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই। বরং চাহিদার তুলনায় সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সার কারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারলে ভবিষ্যতে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সার রফতানির সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।
কমিটির সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমানের প্রস্তাব অনুযায়ী, সার বিতরণ, মজুত ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং সারের অবৈধ মজুত, বিপণন ও অনিয়ম সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং মো. রোকন উদ্দীন বাবুল ও মোছা. সাবিরা সুলতানাকে সদস্য করা হয়। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগ উত্থাপিত এলাকায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৈঠকে বিশেষভাবে লালমনিরহাট, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, নওগাঁ ও যশোর জেলার ডিলারশিপ নিয়োগে অভিযোগের বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, এসব জেলায় অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন ডিলারশিপ চুক্তি স্থগিত রাখতে হবে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যে চুক্তি সম্পাদিত এলাকায় উত্থাপিত অভিযোগসমূহ যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
"সার বিতরণ ব্যবস্থাপনায় সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট দ্রুত নিরসিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় সংসদ ভবন), লালমনিরহাট, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, নওগাঁ, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহাদাত হোসেন (সভাপতি), মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. রোকন উদ্দীন বাবুল, মোছা. সাবিরা সুলতানা, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ (কৃষি মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি, ৬ জেলা (লালমনিরহাট, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, নওগাঁ, যশোর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!